কোমল হওয়া
৮১/৫১. অধ্যায়ঃ
জান্নাত ও জাহান্নামের বিবরণ।
সহিহ বুখারী
سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ خَيْثَمَةَ عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ النَّارَ فَأَشَاحَ بِوَجْهِهِ فَتَعَوَّذَ مِنْهَا ثُمَّ ذَكَرَ النَّارَ فَأَشَاحَ بِوَجْهِهِ فَتَعَوَّذَ مِنْهَا ثُمَّ قَالَ اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَبِكَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ
বর্ণনাকারী আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ)
যে, নবী (ﷺ) (একবার) জাহান্নামের উল্লেখ করলেন। এরপর তিনি তাঁর চেহারা ফিরিয়ে নিলেন এবং এর থেকে নিরাপত্তা চাইলেন। আবার তিনি জাহান্নামের উল্লেখ করে মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও এর থেকে নিরাপত্তা চাইলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন হতে নিজেদেরকে রক্ষা কর এক টুকরা খেজুরের বিনিময়ে হলেও। আর যে তাতেও অক্ষম সে যেন ভাল কথার বিনিময়ে হলেও নিজেকে রক্ষা করে। [১]
(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৭)[৪৬] জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদেরকে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে । হক্কুল্লাহর সাথে সাথে হক্কুল ইবাদ করে যেতে হবে । অপর বান্দার কল্যাণ সাধন করতে হবে- বেশি আর কম, যার পক্ষে যতখানি সম্ভব । এজন্য দান খয়রাত করতে হবে, খাদ্য খাওয়াতে হবে- হোকনা তা অতি সামান্য । ভাল কথা, ভাল শিক্ষা, সৎ পরামর্শ- এ সবও আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে বাঁচার ব্যাপারে সাহায্য করবে ।