কোমল হওয়া
৮১/১. অধ্যায়ঃ
সুস্থতা আর অবসর, আখিরাতের জীবনই সত্যিকারের জীবন।
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪১২
الْمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سَعِيدٍ هُوَ ابْنُ أَبِي هِنْدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم نِعْمَتَانِ مَغْبُونٌ فِيهِمَا كَثِيرٌ مِنْ النَّاسِ الصِّحَّةُ وَالْفَرَاغُ قَالَ عَبَّاسٌ الْعَنْبَرِيُّ حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ أَبِيهِ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ.
বর্ণনাকারী ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: এমন দুটি নিয়ামত আছে, যে দুটোতে অধিকাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তা হচ্ছে, সুস্থতা আর অবসর। আব্বাস আম্বরী (রহঃ).....সাঈদ ইবনে আবু হিন্দ (রহঃ) থেকে ইবনে আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে এ রকমই হাদীস বর্ণনা করেছেন।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭০
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪১৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ" اللَّهُمَّ لاَ عَيْشَ إِلاَّ عَيْشُ الآخِرَة، فَأَصْلِحِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَة ".
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ “হে আল্লাহ! আখিরাতের জীবনই সত্যিকারের জীবন। কাজেই আপনি আনসার আর মুহাজিরদের কল্যাণ করুন।”
আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭১
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪১৪
حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ السَّاعِدِيُّ، كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْخَنْدَقِ وَهْوَ يَحْفِرُ وَنَحْنُ نَنْقُلُ التُّرَابَ وَيَمُرُّ بِنَا فَقَالَ " اللَّهُمَّ لاَ عَيْشَ إِلاَّ عَيْشُ الآخِرَهْ، فَاغْفِرْ لِلأَنْصَارِ وَالْمُهَاجِرَهْ ". تَابَعَهُ سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ.
বর্ণনাকারী সাহ্ল ইব্নু সা‘ঈদী (রাঃ)
আমরা খন্দকের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি (মাটি) খনন করছিলেন এবং আমরা মাটি সরিয়ে দিচ্ছিলাম। তিনি আমাদের দেখছিলেন। তখন তিনি বলছিলেনঃ হে আল্লাহ! আখিরাতের জীবনই সত্যিকারের জীবন। কাজেই আপনি আনসার ও মুহাজিরদেরকে ক্ষমা করুন।
(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭২)[১] (৬৪১৩-১৪) এ দু’টি হাদীস থেকে দুনিয়ার পঙ্কিলতা ও নোংরামি এবং ধ্বংসের দ্রুততা প্রকাশে দুনিয়ার জীবন যাত্রার প্রতি অবজ্ঞার ইঙ্গিত পাওয়া যায় । (ফাতহুল বারী)
৮১/২. অধ্যায়ঃ
আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার উদাহরণ।
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪১৫
عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَهْلٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ مَوْضِعُ سَوْطٍ فِي الْجَنَّةِ خَيْرٌ مِنْ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا وَلَغَدْوَةٌ فِي سَبِيلِ اللهِ أَوْ رَوْحَةٌ خَيْرٌ مِنْ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا.
বর্ণনাকারী সাহ্ল ইব্নু সা‘দ (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, জান্নাতের মাঝে এক চাবুক পরিমিত জায়গা দুনিয়া এবং তার মাঝে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। আর আল্লাহর পথে সকালের এক মুহূর্ত কিংবা বিকালের (সন্ধ্যা) এক মুহূর্ত দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৩
৮১/৩. অধ্যায়ঃ
নবী (ﷺ)-এর বাণী: দুনিয়াতে থাক যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা পথচারী
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪১৬
عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ أَبُو المُنْذِرِ الطُّفَاوِيُّ عَنْ سُلَيْمَانَ الأَعْمَشِ قَالَ حَدَّثَنِي مُجَاهِدٌ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ أَخَذَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم بِمَنْكِبِي فَقَالَ كُنْ فِي الدُّنْيَا كَأَنَّكَ غَرِيبٌ أَوْ عَابِرُ سَبِيلٍ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَقُولُ إِذَا أَمْسَيْتَ فَلاَ تَنْتَظِرْ الصَّبَاحَ وَإِذَا أَصْبَحْتَ فَلاَ تَنْتَظِرْ الْمَسَاءَ وَخُذْ مِنْ صِحَّتِكَ لِمَرَضِكَ وَمِنْ حَيَاتِكَ لِمَوْتِكَ.
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার আমার দুই কাঁধ ধরে বললেন: তুমি দুনিয়াতে থাক যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা পথচারী।আর ইবন উমর (রাঃ) বলতেন, তুমি সন্ধ্যায় উপনীত হলে সকালের আর অপেক্ষা করো না এবং সকালে উপনীত হলে সন্ধ্যার আর অপেক্ষা করো না। তোমার সুস্থতার সময় তোমার পীড়িত অবস্থার জন্য প্রস্তুতি নাও। আর তোমার জীবিত অবস্থায় তোমার মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নাও।
(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৬৮, ই.ফা ৫৯৭৪)[২] (৬৪১৬) অর্থাৎ সুস্থ থাকা অবস্থায় তুমি মহৎ কাজে ব্যস্ত থাক । কারন রোগ ব্যধির সময় যদি তুমি তা পালনে অক্ষম হও তখন যেন তা পালন করতে বাধ্য করা না হয় ।হাদীসটি থেকে শিক্ষণীয়ঃ(১) শিক্ষক ছাত্রকে শিক্ষা বা উপদেশ দেয়ার সময় মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য ছাত্রের কোন অঙ্গ ধরা । অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাউকে আকৃষ্ট করার জন্য এমন করা হয় ।(২) একজনকে সম্বোধন করা হলেও সবাইকে উদ্দেশ্য নেয়া ।(৩) উম্মতের কল্যাণ হবে এমন প্রত্যেক কাজের প্রতি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)’র আগ্রহ ।(৪) দুনিয়াদারী ত্যাগ করা এবং যা অপরিহার্য তার প্রতি সীমাবদ্ধ থাকার উৎসাহ প্রদান । (ফাতহুল বারী)
৮১/৪. অধ্যায়ঃ
আশা এবং এর দৈর্ঘ্য।
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪১৭
صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ سُفْيَانَ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ مُنْذِرٍ عَنْ رَبِيعِ بْنِ خُثَيْمٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ خَطَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَطًّا مُرَبَّعًا وَخَطَّ خَطًّا فِي الْوَسَطِ خَارِجًا مِنْهُ وَخَطَّ خُطَطًا صِغَارًا إِلَى هَذَا الَّذِي فِي الْوَسَطِ مِنْ جَانِبِهِ الَّذِي فِي الْوَسَطِ وَقَالَ هَذَا الإِنْسَانُ وَهَذَا أَجَلُهُ مُحِيطٌ بِهِ أَوْ قَدْ أَحَاطَ بِهِ وَهَذَا الَّذِي هُوَ خَارِجٌ أَمَلُهُ وَهَذِهِ الْخُطَطُ الصِّغَارُ الأَعْرَاضُ فَإِنْ أَخْطَأَهُ هَذَا نَهَشَهُ هَذَا وَإِنْ أَخْطَأَهُ هَذَا نَهَشَهُ هَذَا.
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস্‘ঊদ (রাঃ)
একদিন নবী (ﷺ) একটি চতুর্ভুজ আঁকলেন এবং এর মধ্যখানে একটি রেখা টানলেন, যা তা থেকে বের হয়ে গেল। তারপর দুপাশ দিয়ে মধ্যের রেখার সঙ্গে ভেতরের দিকে কয়েকটা ছোট ছোট রেখা মিলালেন এবং বললেন, এ মাঝের রেখাটা হলো মানুষ। আর এ চতুর্ভুজটি হলো তার আয়ু, যা বেষ্টন করে আছে। আর বাইরে বেরিয়ে যাওয়া রেখাটি হলো তার আশা। আর এ ছোট ছোট রেখাগুলো বাধা-বন্ধন। যদি সে এর একটি এড়িয়ে যায়, তবে আরেকটি তাকে দংশন করে। আর আরেকটি যদি এড়িয়ে যায় তবে আরেকটি তাকে দংশন করে।
আধুনিক প্রকাশনী-৫৯৬৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৫
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪১৮
مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ خَطَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خُطُوطًا فَقَالَ هَذَا الأَمَلُ وَهَذَا أَجَلُهُ فَبَيْنَمَا هُوَ كَذَلِكَ إِذْ جَاءَهُ الْخَطُّ الأَقْرَبُ.
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
একবার নবী (ﷺ) কয়েকটি রেখা টানলেন এবং বললেন, এটা আশা আর এটা তার আয়ু। মানুষ যখন এ অবস্থার মাঝে থাকে, হঠাৎ নিকটবর্তী রেখা (মৃত্যু) এসে যায়।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৬
৮১/৫. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি ষাট বছর বয়সে পৌঁছে গেল, আল্লাহ তার বয়সের ওযর পেশ করার সুযোগ রাখেননি।
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪১৯
عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ مُطَهَّرٍ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ مَعْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْغِفَارِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَعْذَرَ اللهُ إِلَى امْرِئٍ أَخَّرَ أَجَلَهُ حَتَّى بَلَّغَهُ سِتِّينَ سَنَةً تَابَعَهُ أَبُو حَازِمٍ وَابْنُ عَجْلاَنَ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ.
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ যার আয়ু দীর্ঘ করেছেন, এমনকি তাঁকে ষাট বছরে পৌঁছে দিয়েছেন, তাঁর ওযর পেশ করার সুযোগ রাখেননি। ইবনু আজলান মকবুরি হতেও এরূপ বর্ণনা করেছেন।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৭
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪২০
عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا أَبُو صَفْوَانَ عَبْدُ اللهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لاَ يَزَالُ قَلْبُ الْكَبِيرِ شَابًّا فِي اثْنَتَيْنِ فِي حُبِّ الدُّنْيَا وَطُولِ الأَمَلِ قَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ وَابْنُ وَهْبٍ عَنْ يُونُسَ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ أَخْبَرَنِي سَعِيدٌ وَأَبُو سَلَمَةَ.
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, বৃদ্ধ লোকের অন্তর দুটি ব্যাপারে সর্বদা যুবক থাকে। দুনিয়ার প্রতি ভালবাসার ব্যাপারে আর দীর্ঘ আশার ব্যাপারে। আরেকটি হল উচ্চাকাঙ্ক্ষা। লাইস (রহঃ) ..... সাঈদ ও আবু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
[মুসলিম ১২/৩৮, হাঃ ১০৪৬, আহমাদ ১০৫১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৮)
সহিহ বুখারী
হাদিস নং ৬৪২১
مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يَكْبَرُ ابْنُ آدَمَ وَيَكْبَرُ مَعَهُ اثْنَانِ حُبُّ الْمَالِ وَطُولُ الْعُمُرِ رَوَاهُ شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ.
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আদম সন্তানের বয়স বাড়ে আর তার সঙ্গে দুটি জিনিসও বাড়ে; ধন-মালের প্রতি ভালবাসা আর দীর্ঘ জীবনের আশা। শু'বাহ কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।
[মুসলিম ১২/৩৮, হাঃ ১০৪৭, আহমাদ ১২১৪৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৯)