আজান

১০/১৯. অধ্যায়ঃ

মুয়াজ্জিন কি (আজানের সময়) ডানে বামে মুখ ফিরাবেন এবং এদিক সেদিক তাকাতে পারবেন?

وَيُذْكَرُ عَنْ بِلَالٍ أَنَّهُ جَعَلَ إِصْبَعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ لَا يَجْعَلُ إِصْبَعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ لَا بَأْسَ أَنْ يُؤَذِّنَ عَلَى غَيْرِ وُضُوءٍ وَقَالَ عَطَاءٌ الْوُضُوءُ حَقٌّ وَسُنَّةٌ وَقَالَتْ عَائِشَةُ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَذْكُرُ اللَّهَ عَلَى كُلِّ أَحْيَانِهِ.বিলাল (রা.) হতে উল্লেখ করা হয় যে, তিনি আযানের সময় দু’ কানে দু’টি আঙ্গুল রাখতেন। তবে ইবন ‘উমার (রা.) দু’ কানে আঙ্গুল রাখতেন না। ইবরাহীম (রহ.) বলেন, বিনা ওযুতে আযান (দিলে) কোনো অসুবিধা নেই। ‘আত্বা (রহ.) বলেন, (আযানের জন্য) ওযু জরুরী এবং সুন্নাত। ‘আয়িশা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বক্ষণ আল্লাহর যিকির করতেন।"

সহিহ বুখারী

مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ رَأَى بِلَالاً يُؤَذِّنُ فَجَعَلْتُ أَتَتَبَّعُ فَاهُ هَهُنَا وَهَهُنَا بِالْأَذَانِ.

বর্ণনাকারী আবূ যুহায়ফা (রাঃ)

তিনি বিলাল (রাঃ)-কে আজান দিতে দেখেছেন। (এরপর তিনি বলেন) তাই আমি তাঁর (বিলাল রাঃ)-এর ন্যায় আজানের মাঝে মুখ এদিক সেদিক (ডানে-বামে) ফিরাই।

(১৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৯৮,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬০৬)

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18