জানাজা
২৩/৪০. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি বিপদের সময় এমন ভাবে বসে পড়ে যে, তার মধ্যে দুঃখবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।
সহিহ বুখারী
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَهْرًا حِينَ قُتِلَ الْقُرَّاءُ، فَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَزِنَ حُزْنًا قَطُّ أَشَدَّ مِنْهُ.
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
(বীর-ই মাউনার ঘটনায়) ক্বারি (সাহাবীদের) শাহাদাতের পর আল্লাহর রসূল (ﷺ) (ফজরের সালাতে) এক মাস যাবত কুনুত-ই নাযিলা [২] পাঠ করেছিলেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আল্লাহর রসূল (ﷺ)-কে আমি আর কখনো এর চেয়ে অধিক শোকাভিভূত হতে দেখিনি।
[২] কুনূত-ই-নাযিলাঃ মুসলমানদের জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় সার্বিক বিপদকালে ফজরের সালাতে দ্বিতীয় রাকা’আতের রুকূ’র পর দাঁড়িয়ে ইমাম সাহেব উচ্চস্বরে বিশেষ দু’আ পড়েন, (মুক্তাদীগণ আমীন, আমীন, বলতে থাকেন) এ দু’আকে কুনূত-ই-নাযিলা বলা হয়।