অর্থপূর্ণ নাম রাখা এবং কদর্য নাম পরিবর্তন

১২/১. অধ্যায়ঃ

মহামহিম আল্লাহর নিকট পছন্দনীয় নামসমূহ।

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮২১

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُهَاجِرٍ قَالَ: حَدَّثَنِي عَقِيلُ بْنُ شَبِيبٍ، عَنْ أَبِي وَهْبٍ - وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ - عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " تَسَمَّوْا بِأَسْمَاءِ الْأَنْبِيَاءِ، وَأَحَبُّ الْأَسْمَاءِ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ: عَبْدُ اللَّهِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ، وَأَصْدَقُهَا: حَارِثٌ، وَهَمَّامٌ، وَأَقْبَحُهَا: حَرْبٌ، وَمُرَّةُ "---[قال الشيخ الألباني] : صحيح دون جملة الأنبياء

বর্ণনাকারী আবু ওয়াহব আল-জুশামী (রাঃ)

তিনি ছিলেন সাহাবী। নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমরা নবীগণের নামানুসারে নাম রাখো। নামসমূহের মধ্যে আল্লাহর নিকট প্রিয়তর হচ্ছে আবদুল্লাহ ও আবদুর রহমান। যথার্থ নাম হচ্ছে হারিস (চাষী) ও হাম্মাম (দাতাবারানী) এবং সবচেয়ে নিকৃষ্ট নাম হচ্ছে হারব ও মুররা। -(নাসাঈ, আবু দাউদ, আহমাদ)

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮২২

حَدَّثَنَا صَدَقَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ: وُلِدَ لِرَجُلٍ مِنَّا غُلَامٌ فَسَمَّاهُ: الْقَاسِمَ، فَقُلْنَا: لَا نُكَنِّيكَ أَبَا الْقَاسِمِ وَلَا كَرَامَةَ، فَأُخْبِرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «سَمِّ ابْنَكَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ»

বর্ণনাকারী জাবের (রাঃ)

আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তির একটি পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হলো। সে তার নাম রাখলো কাসেম। আমরা বললাম, আমরা তোমাকে আবুল কাসেম (কাসেমের পিতাবারানী) ডাকনাম দিয়ে গৌরবান্বিত করবো না। নবী (সাঃ)-কে অবহিত করা হলে তিনি বলেনঃ তোমার ছেলের নাম রাখো আবদুর রহমান। (বুখারী, মুসলিম)

১২/২. অধ্যায়ঃ

নাম পরিবর্তন করা।

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮২৩

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلٍ قَالَ: أُتِيَ بِالْمُنْذِرِ بْنِ أَبِي أُسَيْدٍ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ وُلِدَ، فَوَضَعَهُ عَلَى فَخِذِهِ - وَأَبُو أُسَيْدٍ جَالِسٌ - فَلَهَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَيْءٍ بَيْنَ يَدَيْهِ، وَأَمَرَ أَبُو أُسَيْدٍ بِابْنِهِ فَاحْتُمِلَ مِنْ فَخِذِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَاسْتَفَاقَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «أَيْنَ الصَّبِيُّ؟» فَقَالَ أَبُو أُسَيْدٍ: قَلَبْنَاهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «مَا اسْمُهُ؟» قَالَ: فُلَانٌ، قَالَ: «لَا، لَكِنِ اسْمُهُ الْمُنْذِرُ» ، فَسَمَّاهُ يَوْمَئِذٍ الْمُنْذِرَ

বর্ণনাকারী সাহল (রাঃ)

মুনযির ইবনে আবু উসাইদ জন্মগ্রহণ করলে তাকে নবী (সাঃ)-এর খেদমতে আনা হলো। তিনি তাকে তার উরুর উপর রাখলেন। আর আবু উসাইদ (রাঃ) তাঁর পাশে উপবিষ্ট ছিলেন। নবী (সাঃ) তার সামনের কোন একটি জিনিসে মনোযোগী হয়ে রইলেন। তখন আবু উসাইদ (রাঃ) তার পুত্রকে নবী (সাঃ)-এর উরু থেকে তুলে নিতে বললে তাকে তুলে নেয়া হলো। উক্ত বিষয়ের প্রতি মনোযোগ শেষ হলে নবী (সাঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ বাচ্চাটি কোথায়? আবু উসাইদ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাকে বাড়ী পাঠিয়ে দিয়েছি। নবী (সাঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ তার নাম কি? তিনি বলেন, অমুক। নবী (সাঃ) বলেনঃ নাসাঈ, বরং তার নাম মুনযির। ঐ দিন থেকে তার নাম হলো মুনযির। -(বুখারী, মুসলিম, ইবনে মাজাহ)

১২/৩. অধ্যায়ঃ

মহামহিম আল্লাহর নিকট অপছন্দনীয় নামসমূহ।

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮২৪

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ قَالَ: حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَخْنَى الْأَسْمَاءِ عِنْدَ اللَّهِ رَجُلٌ تَسَمَّى مَلِكَ الْأَمْلَاكِ»

বর্ণনাকারী আবু হুরায়রা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে লোকের নাম মালিকুল আমলাক (রাজাধিরাজ) রাখা হয়েছে, আল্লাহর কাছে সেটি সর্বনিকৃষ্ট নাম। (বুখারী, মুসলিম, দারিমী, তিরমিযী)

১২/৪. অধ্যায়ঃ

যে ব্যক্তি অপরকে তার ক্ষুদ্রত্ববাচক নামে ডাকে।

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮২৫

حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُهَلَّبِ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ قَالَ‏:‏ كُنْتُ أَشَدَّ النَّاسِ تَكْذِيبًا بِالشَّفَاعَةِ، فَسَأَلْتُ جَابِرًا، فَقَالَ‏:‏ يَا طُلَيْقُ، سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ‏:‏ يَخْرُجُونَ مِنَ النَّارِ بَعْدَ دُخُولٍ، وَنَحْنُ نَقْرَأُ الَّذِي تَقْرَأُ‏.‏

বর্ণনাকারী তলক ইবনে হাবীব (র)

আমি শাফাআতের বিষয়টিকে কঠোরভাবে অস্বীকার করতাম। আমি জাবের (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হে তুলায়ক! আমি নবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ একদল লোক দোযখে যাওয়ার পর (শাফাআতধন্য হয়ে) সেখান থেকে বের হয়ে আসবে। তুমি যা পড়ো আমরাও তাই পড়ি। (বুখারী, মুসলিম, মুসনাদ আহমাদ)

১২/২৫. অধ্যায়ঃ

কোন ব্যক্তিকে তার প্রিয় নামে ডাকা।

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮২৬

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ الْقُرَشِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا ذَيَّالُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ حَنْظَلَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي جَدِّي حَنْظَلَةُ بْنُ حِذْيَمَ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعْجِبُهُ أَنْ يُدْعَى الرَّجُلُ بِأَحَبِّ أَسْمَائِهِ إِلَيْهِ، وَأَحَبِّ كُنَاهُ

বর্ণনাকারী হানবাল ইবনে হিয়াম (র)

নবী (সাঃ) কোন ব্যক্তিকে তার নামসমূহের মধ্যে তাঁর নিকট অপেক্ষাকৃত প্রিয় নামে বা উপনামে ডাকতেই পছন্দ করতেন। (তাহযীবুল কামাল)

১২/৫. অধ্যায়ঃ

আছিয়া নাম পরিবর্তন করা।

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮২৭

حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ غَيْرَ اسْمَ عَاصِيَةَ وَقَالَ: «أَنْتِ جَمِيلَةُ»

বর্ণনাকারী ইবনে উমার (রাঃ)

নবী (সাঃ) “আসিয়া” (পপিষ্ঠা) নাম পরিবর্তন করেন এবং বলেনঃ তুমি জামীলা (সুন্দরী)। -(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান)

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮২৮

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَسَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، فَسَأَلَتْهُ عَنِ اسْمِ أُخْتٍ لَهُ عِنْدَهُ؟ قَالَ: فَقُلْتُ: اسْمُهَا بَرَّةُ، قَالَتْ: غَيِّرِ اسْمَهَا، فَإِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَكَحَ زَيْنَبَ بِنْتَ جَحْشٍ وَاسْمُهَا بَرَّةُ، فَغَيَّرَ اسْمَهَا إِلَى زَيْنَبَ، وَدَخَلَ عَلَى أُمِّ سَلَمَةَ حِينَ تَزَوَّجَهَا، وَاسْمِي بَرَّةُ، فَسَمِعَهَا تَدْعُونِي: بَرَّةَ، فَقَالَ: «لَا تُزَكُّوا أَنْفُسَكُمْ، فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ أَعْلَمُ بِالْبَرَّةِ مِنْكُنَّ وَالْفَاجِرَةِ، سَمِّيهَا زَيْنَبَ» ، فَقَالَتْ: فَهِيَ زَيْنَبُ، فَقُلْتُ لَهَا: سَمِّي، فَقَالَتْ: غَيِّرْهُ إِلَى مَا غَيَّرَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَمِّهَا زَيْنَبَ

বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে আতা (র)

তিনি যয়নব বিনতে আবু সালামার নিকট প্রবেশ করলেন। যয়নব তাকে তার সংগী বোনটির নাম জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, তার নাম বাররা (পুণ্যবতী)। তিনি বলেন, তার নাম পরিবর্তন করো। কেননা নবী (সাঃ) যয়নব বিনতে জাহশকে বিবাহ করেন এবং তার নাম ছিল বাররা। তিনি তা পরিবর্তন করে তার নাম রাখেন যয়নব। বিবাহ করার পর তিনি তার ঘরে গেলেন। তখন আমার নাম ছিল বাররা। তিনি উম্মু সালামা (রাঃ)-কে আমাকে এই নামে ডাকতে শুনলেন। তখন তিনি বলেনঃ তোমরা নিজেদেরকে পবিত্রতায় আখ্যায়িত করো না। কেননা কে পুণ্যবতী আর কে পাপিষ্ঠা তা আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। তুমি তার নাম রাখো যয়নব। তিনি বলেন, সে যয়নবই। আমি তাকে বললাম, আমার নাম? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যে নামে পরিবর্তন করেছেন সেই নাম রেখে দাও। অতএব তিনি তার নাম রাখলেন যয়নব। -(মুসলিম, দারিমী, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)

১২/৬. অধ্যায়ঃ

সারম নাম পরিবর্তন করা।

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮২৯

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ قَالَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ قَالَ: حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَخْزُومِيُّ، حَدَّثَنِي جَدِّي، عَنْ أَبِيهِ - وَكَانَ اسْمُهُ الصَّرْمَ، فَسَمَّاهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَعِيدًا - قَالَ: رَأَيْتُ عُثْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مُتَّكِئًا فِي الْمَسْجِدِ

বর্ণনাকারী সাঈদ আল-মাখযূমী (রাঃ)

তাঁর পূর্বনাম ছিল সারম (কর্তনকার, ছিন্নকারী)। নবী (সাঃ) তার নাম রাখেন সাঈদ (ভাগ্যবান)। (অধস্তন রাবী আবদুর রহমান (র) বলেন) আমি উসমান (রাঃ)-কে মসজিদে হেলান দিয়ে বসা অবস্থায় দেখেছি। (হাকিম)

আদাবুল মুফরাদ

হাদিস নং ৮৩০

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ هَانِئِ بْنِ هَانِئٍ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: لَمَّا وُلِدَ الْحَسَنُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ سَمَّيْتُهُ: حَرْبًا، فَجَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «أَرُونِي ابْنِي، مَا سَمَّيْتُمُوهُ؟» قُلْنَا: حَرْبًا، قَالَ: «بَلْ هُوَ حَسَنٌ» . فَلَمَّا وُلِدَ الْحُسَيْنُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ سَمَّيْتُهُ حَرْبًا، فَجَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «أَرُونِي ابْنِي، مَا سَمَّيْتُمُوهُ؟» قُلْنَا: حَرْبًا، قَالَ: «بَلْ هُوَ حُسَيْنٌ» . فَلَمَّا وُلِدَ الثَّالِثُ سَمَّيْتُهُ: حَرْبًا، فَجَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «أَرُونِي ابْنِي، مَا سَمَّيْتُمُوهُ؟» قُلْنَا: حَرْبًا، قَالَ: «بَلْ هُوَ مُحْسِنٌ» ، ثُمَّ قَالَ: " إِنِّي سَمَّيْتُهُمْ بِأَسْمَاءِ وَلَدِ هَارُونَ: شِبْرٌ، وَشَبِيرٌ، وَمُشَبِّرٌ "

বর্ণনাকারী আলী (রাঃ)

হাসান ভূমিষ্ঠ হলে আমি তার নাম রাখলাম হারব (যুদ্ধ)। নবী (সাঃ) এসে বলেনঃ আমার নাতি আমাকে দেখাও, তোমরা তার কি নাম রেখেছে? আমরা বললাম, হারব। তিনি বলেনঃ বরং তার নাম হাসান। পরে হুসাইন ভূমিষ্ঠ হলে আমি তার নাম রাখলাম হারব। নবী (সাঃ) এসে বলেনঃ আমার নাতি আমাকে দেখাও, তোমরা তার কি নাম রেখেছো? আমরা বললাম, হারব। তিনি বলেনঃ বরং তার নাম হুসাইন। অতঃপর তৃতীয় সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে আমি তার নামও রাখলাম হারব। অতঃপর নবী (সাঃ) এসে বলেনঃ আমার নাতি আমাকে দেখাও, তোমারা তার কি নাম রেখেছে? আমরা বললাম, হারব। তিনি বলেনঃ বরং তার নাম মুহসিন। অতঃপর তিনি বলেনঃ আমি হারূন (আঃ)-এর সন্তান শিবর, শুবায়র ও মুশাব্বির-এর নাম অনুসারে এদের নাম রাখলাম। (ইসতীআব, আহমাদ, হাকিম)

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18