সালাত (নামাজ)

২/৩১. অধ্যায়ঃ

উচ্চৈঃস্বরে আজান দেয়া

সুনানে আবু দাউদ

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ النَّمَرِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الْمُؤَذِّنُ يُغْفَرُ لَهُ مَدَى صَوْتِهِ وَيَشْهَدُ لَهُ كُلُّ رَطْبٍ وَيَابِسٍ وَشَاهِدُ الصَّلاَةِ يُكْتَبُ لَهُ خَمْسٌ وَعِشْرُونَ صَلاَةً وَيُكَفَّرُ عَنْهُ مَا بَيْنَهُمَا ‏"‏ ‏.

বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মুয়াজ্জিনের কণ্ঠস্বর যতদূর পর্যন্ত যায় তাকে ততদূর ক্ষমা করে দেয়া হয়। তাজা ও শুকনো প্রতিটি জিনিসই (কেয়ামতের দিন) তার জন্য সাক্ষী হয়ে যাবে। আর কেউ জামাতে হাজির হলে তার জন্য পঁচিশ ওয়াক্ত সালাতের সওয়াব লেখা হয় এবং এক সালাত থেকে আরেক সালাতের মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18