বিতর সালাত

৮/১. অধ্যায়ঃ

বিতর সালাত মুস্তাহাব

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪১৬

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا عِيسَى، عَنْ زَكَرِيَّا، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَلِيٍّ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَا أَهْلَ الْقُرْآنِ أَوْتِرُوا فَإِنَّ اللَّهَ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী ‘আলী (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ হে কুরআনের ধারকগণ! তোমরা বিতর সালাত আদায় করো। কেননা আল্লাহ বেজোড়, তাই তিনি বেজোড়কে ভালবাসেন।

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪১৭

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ الأَبَّارُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَاهُ زَادَ فَقَالَ أَعْرَابِيٌّ مَا تَقُولُ فَقَالَ ‏ "‏ لَيْسَ لَكَ وَلاَ لأَصْحَابِكَ ‏"‏ ‏.

বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ (রাঃ)

আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে মারফুভাবে বর্ণিত। পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তাতে রয়েছে: এক বেদুঈন জিজ্ঞেস করল, আপনি কি বলেছেন? তিনি বললেন, এটা তোমার ও তোমার সাথীদের জন্য প্রযোজ্য নয়।

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪১৮

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، - الْمَعْنَى - قَالاَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَاشِدٍ الزَّوْفِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُرَّةَ الزَّوْفِيِّ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ حُذَافَةَ، - قَالَ أَبُو الْوَلِيدِ الْعَدَوِيُّ - قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ أَمَدَّكُمْ بِصَلاَةٍ وَهِيَ خَيْرٌ لَكُمْ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ وَهِيَ الْوِتْرُ فَجَعَلَهَا لَكُمْ فِيمَا بَيْنَ الْعِشَاءِ إِلَى طُلُوعِ الْفَجْرِ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী খারিজাহ ইবনু হুযাফা আল-আদাবী (রাঃ)

একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের কাছে এসে বললেন: মহান আল্লাহ তোমাদেরকে একটি অতিরিক্ত সালাত দিয়েছেন, সেটা তোমাদের জন্য লাল উটের চেয়েও উত্তম। তা হলো বিতর। তোমাদের জন্য এ সালাত আদায়ের সময় হচ্ছে ইশা সালাতের পর হতে ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত।

দুর্বলঃ মিশকাত (১২৬৭)।[১৪১৮] তিরমিযী (অধ্যায়ঃ সলাত, অনুঃ বিতর সলাতের ফাযীলত, হাঃ ৪৫২), ইবনু মাজাহ (অধ্যায়ঃ সলাত ক্বায়িম, অনুঃ বিতর সলাত, হাঃ ১১৬৮), দারিমী (হাঃ ১৫৭৬), হাকিম (১/৩০৬) ইমাম হাকিম বলেনঃ সানাদ সহীহ, তবে বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেননি। যাহাবী তার সাথে একমত পোষণ করেছেন। আলবানী একে দুর্বল বলেছেন।

৮/২. অধ্যায়ঃ

যে ব্যক্তি বিতর সালাত আদায় করেনি

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪১৯

حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الطَّالْقَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْعَتَكِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ الْوِتْرُ حَقٌّ فَمَنْ لَمْ يُوتِرْ فَلَيْسَ مِنَّا الْوِتْرُ حَقٌّ فَمَنْ لَمْ يُوتِرْ فَلَيْسَ مِنَّا الْوِتْرُ حَقٌّ فَمَنْ لَمْ يُوتِرْ فَلَيْسَ مِنَّا ‏"‏‏.‏

বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতা

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ বিতর সালাত সত্য। যে ব্যক্তি বিতর আদায় করে না সে আমার দলভুক্ত নয়। বিতর সালাত সত্য। যে ব্যক্তি বিতর আদায় করে না সে আমার দলভুক্ত নয়। বিতর সালাত সত্য। যে ব্যক্তি বিতর আদায় করে না সে আমার দলভুক্ত নয়।

দুর্বলঃ মিশকাত (১২৭৮)।[১৪১৯] তিরমিযী (অধ্যায়ঃ সলাত, অনুঃ বিতর সলাতের ফাযীলাত, হাঃ ৪৫২), ইবনু মাজাহ (অধ্যায়ঃ সলাত ক্বায়িম, অনুঃ বিতর সলাত, হাঃ ১১৬৮), দারিমী (হাঃ ১৫৭৬), হাকিম (১/৩০৬) ইমাম হাকিম বলেনঃ সানাদ সহীহ, তবে বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেননি। যাহাবী তার সাথে একমত পোষণ করেছেন। আলবানী একে দুর্বল বলেছেন।

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪২০

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ بَنِي كِنَانَةَ يُدْعَى الْمُخْدَجِيَّ سَمِعَ رَجُلاً، بِالشَّامِ يُدْعَى أَبَا مُحَمَّدٍ يَقُولُ إِنَّ الْوِتْرَ وَاجِبٌ ‏.‏ قَالَ الْمُخْدَجِيُّ فَرُحْتُ إِلَى عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ عُبَادَةُ كَذَبَ أَبُو مُحَمَّدٍ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ خَمْسُ صَلَوَاتٍ كَتَبَهُنَّ اللَّهُ عَلَى الْعِبَادِ فَمَنْ جَاءَ بِهِنَّ لَمْ يُضَيِّعْ مِنْهُنَّ شَيْئًا اسْتِخْفَافًا بِحَقِّهِنَّ كَانَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ وَمَنْ لَمْ يَأْتِ بِهِنَّ فَلَيْسَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ إِنْ شَاءَ عَذَّبَهُ وَإِنْ شَاءَ أَدْخَلَهُ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.

বর্ণনাকারী ইবনু মুহাইরীয (রহঃ)

বনু কিনানার আল-মুখদাজী সিরিয়াতে আবু মুহাম্মাদ নামক এক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছেন, বিতর ওয়াজিব। মুখদাজী বলেন, আমি উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) এর কাছে গিয়ে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বললেন, আবু মুহাম্মাদ মিথ্যা বলেছে। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি তা যথাযথভাবে পালন করবে, আর অবহেলাহেতু এর কোনটি পরিত্যাগ করবে না, মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানোর অঙ্গীকার করেছেন। আর যে ব্যক্তি তা (যথাযথভাবে) আদায় করবে না, তার জন্য আল্লাহর কাছে কোন প্রতিশ্রুতি নেই। তিনি ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিবেন কিংবা জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

৮/৩. অধ্যায়ঃ

বিতর সালাতের রাকাত সংখ্যা

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪২১

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَلاَةِ اللَّيْلِ فَقَالَ بِأُصْبُعَيْهِ هَكَذَا مَثْنَى مَثْنَى وَالْوِتْرُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ ‏.‏

বর্ণনাকারী ইবনু ‘উমার (রাঃ)

একদা এক বেদুঈন নবী (ﷺ)-কে রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাঁর দুই আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে বলেন: দুই দুই রাকাত এবং রাতের শেষভাগে বিতর এক রাকাত।

সহীহঃ মুসলিম।

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪২২

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنِي قُرَيْشُ بْنُ حَيَّانَ الْعِجْلِيُّ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ وَائِلٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الْوِتْرُ حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِخَمْسٍ فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِثَلاَثٍ فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِوَاحِدَةٍ فَلْيَفْعَلْ ‏"‏ ‏.

বর্ণনাকারী আবূ আইয়ূব আল-আনসারী (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের উপর বিতর সালাত অপরিহার্য। সুতরাং কেউ ইচ্ছে হলে পাঁচ রাকাত আদায় করবে, কেউ তিন রাকাত আদায় করতে চাইলে সে তাই করবে এবং কেউ এক রাকাত বিতর আদায় করতে চাইলে সে এক রাকাত আদায় করবে।

৮/৪. অধ্যায়ঃ

বিতর সালাতের কিরাআত

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪২৩

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ الأَبَّارُ، ح وَحَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَنَسٍ، - وَهَذَا لَفْظُهُ - عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ طَلْحَةَ، وَزُبَيْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُوتِرُ بِـ ‏{‏ سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى ‏}‏ وَ ‏{‏ قُلْ لِلَّذِينَ كَفَرُوا ‏}‏ وَاللَّهُ الْوَاحِدُ الصَّمَدُ ‏.‏

বর্ণনাকারী উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিতর সালাতে সূরা ‘সাব্বিহিসমা রব্বিক আল আ’লা’, ‘কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন’ এবং ‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ আল্লাহুস সামাদ’ তিলাওয়াত করতেন।

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪২৪

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي شُعَيْبٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا خُصَيْفٌ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ بِأَىِّ شَىْءٍ كَانَ يُوتِرُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ مَعْنَاهُ قَالَ وَفِي الثَّالِثَةِ بِـ ‏{‏ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ‏}‏ وَالْمُعَوِّذَتَيْنِ ‏.‏

বর্ণনাকারী ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু জুরাইজ (রহঃ)

আমি উম্মুল মুমিনীন আয়িশা (রাঃ)-কে বিতর সালাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন কোন সূরা তিলাওয়াত করতেন তা জিজ্ঞেস করি। এরপর উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তৃতীয় রাকাতে ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’, ‘কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক’ এবং ‘কুল আউযু বিরাব্বিন নাস’ সূরা তিনটি তিলাওয়াত করতেন।

৮/৫. অধ্যায়ঃ

বিতর সালাতের দোয়া কুনুত

সুনানে আবু দাউদ

হাদিস নং ১৪২৫

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ جَوَّاسٍ الْحَنَفِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ بُرَيْدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ أَبِي الْحَوْرَاءِ، قَالَ قَالَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ رضى الله عنهما عَلَّمَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَلِمَاتٍ أَقُولُهُنَّ فِي الْوِتْرِ قَالَ ابْنُ جَوَّاسٍ فِي قُنُوتِ الْوِتْرِ ‏ "‏ اللَّهُمَّ اهْدِنِي فِيمَنْ هَدَيْتَ وَعَافِنِي فِيمَنْ عَافَيْتَ وَتَوَلَّنِي فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ وَقِنِي شَرَّ مَا قَضَيْتَ إِنَّكَ تَقْضِي وَلاَ يُقْضَى عَلَيْكَ وَإِنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ وَلاَ يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ ‏"‏ ‏.

বর্ণনাকারী আবুল হাওরা (রাঃ)

আল-হাসান ইবনু আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে এমন কতগুলো বাক্য শিখিয়েছেন, যা আমি বিতর সালাতে পাঠ করে থাকি। তা হলোঃ اَللَّهُمَّ اهْدِنِيْ فِيْمَنْ هَدَيْتَ، وَعَافِنِيْ فِيْمَنْ عَافَيْتَ، وَتَوَلَّنِيْ فِيْمَنْ تَوَلَّيْتَ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا أَعْطَيْتَ، وَقِنِيْ شَرَّمَا قْضَيْتَ؛ إِنَّكَ تَقْضِىْ وَلاَ يُقْضَى عَلَيْكَ، وَإنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَّالَيْتَ، وَلاَ يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ، تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ". (আল্লাহুম্মা ইহদিনি ফীমান হাদাইতা ওয়া'আ-ফিনি ফীমান 'আ-ফাইতা ওয়া তাওয়াল্লানি ফীমান তাওয়াল্লাইতা ওয়া বা-রিক লি ফীমা আ'তাইতা ওয়াক্বিনি শার্‌র মা ক্বাদাইতা, ইন্নাকা তাক্বদী ওয়ালা ইউক্‌দা 'আলাইকা ওয়া ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মান ওয়ালাইতা ওয়ালা ইয়াইয্‌যু মান 'আ-দাইতা তাবা-রাকতা রব্বানা ওয়া তা'আলাইতা)। অর্থ: “হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে সুখদায়ক সৎ পথ প্রকৃত ইসলামের অনুগামী করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি যাদেরকে সুখশান্তিপূর্ণ মঙ্গলময় জীবন প্রদান করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি যাদেরকে সর্ব প্রকার কল্যাণ প্রদানের সহিত সাহায্য করেছেন, আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি আমাকে যে সমস্ত মঙ্গলদায়ক জিনিস প্রদান করেছেন, সেগুলিকে আমার জন্য অধিকতর মঙ্গলদায়ক করুন। আপনি যে ফয়সালা করেছেন, তার অমঙ্গল হতে আমাকে রক্ষা করুন। কেননা সব জগতের সঠিক পরিচালনার জন্য যে ফয়সালা আপনি করেছেন, সেটাই সঠিক ফয়সালা। তাই আপনার ফয়সালার উপরে আর কোনো প্রকারের সঠিক ফয়সালা নেই। আপনি যাকে ভালো বাসবেন, সে কোনো দিন অপমানিত হতে পারে না। আর আপনি যার জন্য অমঙ্গল নির্ধারণ করবেন, সে কোনো দিন শক্তিশালী হতে পারবে না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি মহাকল্যাণময় এবং মহামহিমান্বিত”।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18