۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ١١٧
আর আমি মূসার প্রতি ওহী পাঠালাম যে, ‘তুমি তোমার লাঠি ছেড়ে দাও’ তৎক্ষণাৎ সে গিলতে লাগল সেগুলিকে যে অলীক বস্তু তারা বানিয়েছিল।
۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ١١٧
আর আমি মূসার প্রতি ওহী পাঠালাম যে, ‘তুমি তোমার লাঠি ছেড়ে দাও’ তৎক্ষণাৎ সে গিলতে লাগল সেগুলিকে যে অলীক বস্তু তারা বানিয়েছিল।
১১৭-১২২ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা এই ভীষণ পরীক্ষাক্ষেত্রে হযরত মূসা (আঃ)-এর নিকট অহী পাঠালেন যা হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্য আনয়ন করলো। মূসা (আঃ) তাঁর লাঠিখানা নিক্ষেপ করলেন। ঐ দেখুন! ওটা ঐসব কাল্পনিক সাপকে গিলে ফেললো। ঐ খেয়ালী সাপগুলোর একটিও রক্ষা পেলো না। ঐ যাদুকরগণ জেনে ফেললো যে, এটা যাদু নয়, বরং কোন আসমানী সাহায্য ও আল্লাহ তা'আলারই কাজ। সুতরাং তারা সবাই আল্লাহর সামনে সিজদায় পড়ে গেল এবং বললোঃ “আমরা মূসা (আঃ) ও হারূন (আঃ)-এর আল্লাহর উপর ঈমান আনলাম।” হযরত মূসা (আঃ) যখন প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করলেন তখন তিনি লাঠির উপর হাত লাগানো মাত্রই ওটা পুনরায় লাঠি হয়ে গেল। যাদুকররা সিজদায় পড়ে গিয়ে বললোঃ “যদি তিনি নবী না হতেন, বরং যাদুকর হতেন তবে তিনি কখনই আমাদের উপর বিজয় লাভ করতে পারতেন না।” কাসিম ইবনে আবি বুররা (রঃ) বলেন যে, যাদুকরগণ সিজদা থেকে তাদের মাথা উঠাবার পূর্বেই জান্নাত ও জাহান্নাম দেখে নিয়েছিল।
32
18