৭:১০

وَلَقَدْ مَكَّنَّـٰكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِيهَا مَعَـٰيِشَ ۗ قَلِيلًۭا مَّا تَشْكُرُونَ ١٠

Ahsanul Bayaan

আর অবশ্যই আমি তো তোমাদেরকে যমীনে প্রতিষ্ঠিত করেছি এবং তোমাদের জন্য তাতে রেখেছি জীবনোপকরণ। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞ হও।

"Ibn Kathir Full" এর তাফসীর (বাংলা)

আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বান্দাদের উপর নিজের অনুগ্রহের কথা উল্লেখ করে বলেনঃ আমি তোমাদেরকে এতো ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি দান করেছি যে, তোমরা ভূ-পৃষ্ঠে শাসন কায়েম করেছো এবং দুনিয়ায় নিজেদের মূল শক্ত করে নিয়েছো । সেখানে তোমরা নদী-নালা প্রবাহিত করেছে, ঘর ও চাকচিক্যময় অট্টালিকা বনিয়েছে এবং নিজেদের জন্যে সমুদয় উপকারী জিনিস উৎপাদন করেছে । আমি আমার বান্দাদের জন্যে মেঘমালাকে কাজে লাগিয়ে রেখেছি, উদ্দেশ্য হচ্ছে তার থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করে তাদের জন্যে ফসল উৎপন্ন করা। যমীনে আমি তাদের জীবিকা লাভের বিভিন্ন মাধ্যম রেখেছি। সেখানে তারা ব্যবসা-বাণিজ্য করছে এবং নিজেদের জন্যে নানা প্রকারের সুখের সামগ্রী তৈরী করছে। তথাপি তারা এসব নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করছে না। যেমন তিনি এক জায়গায় বলেনঃ “ যদি তোমরা আমার নিয়ামতরাজি গণনা করার ইচ্ছা কর তবে সেগুলো গণনা করতে পারবে না। মানুষ বড়ই অত্যাচারী ও অকৃতজ্ঞ।” (আরবী) শব্দটিকে সবাই (আরবী)-এর সাথে পড়ে থাকেন অর্থাৎ (আরবী) এর সাথে পড়েন না। কিন্তু আবদুর রহমান ইবনে হরমু একে (আরবী) দিয়ে পড়েন। অধিকাংশ লোক যেভাবে পড়েন সেটাই বিশুদ্ধতম (আরবী) অর্থাৎ দিয়ে না পড়া। কেননা, (আরবী) শব্দটি (আরবী) এর বহুবচন। এটা হচ্ছে (আরবী) এবং এটা (আরবী) হবে। এই (আরবী)-এর মূল হচ্ছে মায়ূইশাতুন অর্থাৎ (আরবী)- তে (আরবী) দিয়ে। (আরবী)- তে (আরবী) ভারী হওয়ায় (আরবী) টি (আরবী)-এ দেয়া হয়েছে এবং এভাবে মায়ূইশাতুন শব্দটি মায়ীশাতুন হয়েছে। তারপর এর একবচনকে যখন বহুবচন বানানো হলো তখন (আরবী)-এর (আরবী) টি আবার তাতে ফিরে আসলো। কেননা, কাঠিন্য আর অবশিষ্ট থাকলো না। বলা হয়েছে যে, (আরবী)-এর ওযন হচ্ছে (আরবী) কেননা এই শব্দে (আরবী) টি মূলে রয়েছে। এটা (আরবী) এবং (আরবী)-এর মত নয়। এগুলো হচ্ছে যথাক্রমে (আরবী) এবং (আরবী)-এর বহুবচন। কেননা, (আরবী) অক্ষরটি হচ্ছে এখানে অতিরিক্ত। সুতরাং এগুলোর বহুবচন (আরবী)-এর ওযনে হবে। আর এখানে (আরবী) অক্ষরটিও আসবে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18