كُتِبَ عَلَيْهِ أَنَّهُۥ مَن تَوَلَّاهُ فَأَنَّهُۥ يُضِلُّهُۥ وَيَهْدِيهِ إِلَىٰ عَذَابِ ٱلسَّعِيرِ ٤
তার সম্পর্কে নির্ধারণ করা হয়েছে যে, যে তার সাথে বন্ধুত্ব করবে সে অবশ্যই তাকে পথভ্রষ্ট করবে এবং তাকে প্রজ্জ্বলিত আগুনের শাস্তির দিকে পরিচালিত করবে।
كُتِبَ عَلَيْهِ أَنَّهُۥ مَن تَوَلَّاهُ فَأَنَّهُۥ يُضِلُّهُۥ وَيَهْدِيهِ إِلَىٰ عَذَابِ ٱلسَّعِيرِ ٤
তার সম্পর্কে নির্ধারণ করা হয়েছে যে, যে তার সাথে বন্ধুত্ব করবে সে অবশ্যই তাকে পথভ্রষ্ট করবে এবং তাকে প্রজ্জ্বলিত আগুনের শাস্তির দিকে পরিচালিত করবে।
যারা মৃত্যুর পরবর্তী জীবনকে অস্বীকার করে আর মনে করে যে, আল্লাহ তাআলা এটার উপর সক্ষম নন এবং তার আদেশ নিষেধ অমান্য করে ও নবীদের (আঃ) আনুগত্য পরিত্যাগ করে হঠকারী এবং উদ্ধত মা ও দানবের আনুগত্য করে, এখানে আল্লাহ তাআলা তাদেরই নিন্দে করছেন। তিনি বলেনঃ যত বিদআতী ও পথভ্রষ্ট লোক রয়েছে তারা সত্য হতে মুখ ফিরিয়ে নেয়, বাতিল ও মিথ্যার আনুগত্যে লেগে পড়ে, আল্লাহর কিতাব ও রাসূলের (সঃ) সুন্নাতকে ছেড়ে দেয় এবং পথভ্রষ্ট লোকদের আনুগত্য করে ও তাদের মনগড়া মতবাদের উপর আমল করে থাকে। এজন্যেই আল্লাহ তাআলা বলেন যে, তারা অজ্ঞানতা বশতঃ আল্লাহ সম্বন্ধে বিতণ্ডা করে। তাদের কাছে কোন সঠিক জ্ঞান নেই। তারা অনুসরণ করে প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তানের। তারা। এদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং এদেরকে পরিচালিত করবে প্রজ্জ্বলিত অগ্নি ও শাস্তির দিকে। এই আয়াতটি নযর ইবনু হারিসের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়। এই নরাধম বলেছিলঃ “ আচ্ছা বলতো, আল্লাহ তাআলা সোনালী তৈরী, না রূপার তৈরী, না তামার তৈরী?” তার এই প্রশ্নের কারণে আকাশ কেঁপে ওঠে এবং ঐ খবীছের মাথার উপরিভাগ উড়ে যায়। একটি রিওয়াইয়াতে আছে যে, একজন ইয়াহুদী এরূপই প্রশ্ন করেছিল। ফলে তৎক্ষণাৎ আসমানী গর্জনে সে ধ্বংস হয়ে যায়।
32
18