সালাত (নামায)

২/৩৬. অধ্যায়ঃ

ইমামই ইকামাত দেবার বেশি হকদার

জামে তিরমিযী

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، أَخْبَرَنِي سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، سَمِعَ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ، يَقُولُ كَانَ مُؤَذِّنُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُمْهِلُ فَلاَ يُقِيمُ حَتَّى إِذَا رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ خَرَجَ أَقَامَ الصَّلاَةَ حِينَ يَرَاهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ هُوَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَحَدِيثُ إِسْرَائِيلَ عَنْ سِمَاكٍ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَهَكَذَا قَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِنَّ الْمُؤَذِّنَ أَمْلَكُ بِالأَذَانِ وَالإِمَامَ أَمْلَكُ بِالإِقَامَةِ ‏.‏

বর্ণনাকারী জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুয়ায্জিন (তাঁর জন্য) প্রতীক্ষা করতে থাকতেন এবং ইকামত দিতেন না। যখন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে (তাঁর ঘর হতে) বেরিয়ে আসতে দেখতেন তখনই নামাজের ইকামত দিতেন।

হাসান। সহীহ্‌ আবূ দাঊদ-(৫৪৮), মুসলিম।আবূ ‘ঈসা বলেনঃ জাবির ইবনু সামুরার এ হাদীসটি হাসান সহীহ্‌। এই সনদ ব্যতীত সিমাক হতে ইসরাঈলের কোন হাদীস জানা নেই। বিভিন্ন বিদ্বান এরূপই বলেছেন যে, মুয়াযযিন আযানের অধিকারী এবং ইমাম ইক্বামাতের অধিকারী ( অর্থাৎ আযান মুয়াযযিনের ইচ্ছায় এবং ইমামের ইচ্ছায় ইক্বামাত দেয়া হবে) ।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18