তালাক ও লিআন

১১/২০. অধ্যায়ঃ

যিহারের কাফফারা

জামে তিরমিযী

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَنْبَأَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْخَزَّازُ، أَنْبَأَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنْبَأَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، أَنْبَأَنَا أَبُو سَلَمَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، أَنَّ سَلْمَانَ بْنَ صَخْرٍ الأَنْصَارِيَّ، أَحَدَ بَنِي بَيَاضَةَ جَعَلَ امْرَأَتَهُ عَلَيْهِ كَظَهْرِ أُمِّهِ حَتَّى يَمْضِيَ رَمَضَانُ فَلَمَّا مَضَى نِصْفٌ مِنْ رَمَضَانَ وَقَعَ عَلَيْهَا لَيْلاً فَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَعْتِقْ رَقَبَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ أَجِدُهَا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَصُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ أَسْتَطِيعُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ أَجِدُ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِفَرْوَةَ بْنِ عَمْرٍو ‏"‏ أَعْطِهِ ذَلِكَ الْعَرَقَ ‏"‏ ‏.‏ وَهُوَ مِكْتَلٌ يَأْخُذُ خَمْسَةَ عَشَرَ صَاعًا أَوْ سِتَّةَ عَشَرَ صَاعًا فَقَالَ ‏"‏ أَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ يُقَالُ سَلْمَانُ بْنُ صَخْرٍ وَيُقَالُ سَلَمَةُ بْنُ صَخْرٍ الْبَيَاضِيُّ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي كَفَّارَةِ الظِّهَارِ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ সালামা ও মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রাহমান (রাঃ)

বায়াযা গোত্রের সালমান ইবন সাখর আনসারী তার স্ত্রীকে রমজান মাসের জন্য তার মায়ের পিঠের সাথে তুলনা করল (যিহার করল)। এই মাসের অর্ধেক গত হওয়ার পর এক রাতে সে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করল। তারপর সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বিষয়টি তাঁকে জানালো।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেনঃ একটি গোলাম আজাদ কর। সে বলল, এটা করার সামর্থ্য আমার নেই। তিনি বললেনঃ একাধারে দুই মাস রোজা রাখ। সে বলল, আমার সামর্থ্য নেই এটা করার। তিনি বললেনঃ ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াও। সে বলল, এটা করারও আমার সামর্থ্য নেই।তখন ফারওয়া ইবন আমর (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তাকে এই খেজুরের ঝুড়িটা দাও যাতে ষাটজন মিসকীনকে সে খাওয়াতে পারে। আরাক এমন বড় ঝুড়িকে বলা হয় যাহাতে ১৫ অথবা ১৬ সা’ খেজুর ধরে।

সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৬২)আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। এ হাদীস অনুযায়ী যিহারের কাফ্‌ফারা নির্ধারণের ব্যাপারে আলিমগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সালামানকে সালামা আল-বায়ামীও বলা হয়।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18