রোগীদর্শন ও জানাযায় অংশগ্রহণ

৭/১৫৬. অধ্যায়ঃ

জানাযায় নামাযীর সংখ্যা বেশি হওয়া এবং তাদের তিন অথবা ততোধিক কাতার করা উত্তম

রিয়াদুস সলেহিন

وَعَنْ مَرثَدِ بنِ عَبدِ اللهِ اليَزَنِيِّ، قَالَ: كَانَ مَالِكُ بنُ هُبَيْرَةَ رضي الله عنه إِذَا صَلَّى عَلَى الجَنَازَةِ، فَتَقَالَّ النَّاس عَلَيْهَا، جَزَّأَهُمْ عَلَيْهَا ثَلاَثَةَ أَجْزَاءٍ، ثُمَّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنْ صَلَّى عَلَيْهِ ثَلاَثَةُ صُفُوفٍ فَقَدْ أَوْجَبَ . رواه أَبُو داود والترمذي، وَقَالَ: حديث حسن

বর্ণনাকারী মারষাদ ইবনে আব্দুল্লাহ য়্যাযানী

মারষাদ ইবনে আব্দুল্লাহ য়্যাযানী বলেন, মালেক ইবনে হুবাইরাহ (রাঃ) যখন (কারো) জানাযার নামায পড়তেন এবং লোকের সংখ্যা কম বুঝতে পারতেন, তখন তিনি তাদেরকে তিন কাতারে বণ্টন করতেন। তারপর তিনি বলতেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’তিন কাতার (লোক) যার জানাযা পড়ল, সে (জান্নাত) ওয়াজেব করে নিল।’’ (আবু দাঊদ, তিরমিযী, হাসান সূত্রে) [১]

আবূ দাউদ ৩১৬৬, তিরমিযী ১০২৮, ইবনু মাজাহ ১৪৯০, আহমাদ ১৬২৮৩

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18