পানাহারের আদব-কায়দা

৩/১১২. অধ্যায়ঃ

মশ্ক ইত্যাদির মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করা অপছন্দনীয়, তবে তা হারাম নয়

রিয়াদুস সলেহিন

وَعَن أُمِّ ثَابِتٍ كَبْشَةَ بِنتِ ثَابِتٍ أُخْتِ حَسَّانَ بنِ ثَابِتٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فَشَرِبَ مِنْ فيِّ قِرْبَةٍ مُعَلَّقَةٍ قَائِماً، فَقُمْتُ إِلَى فِيْهَا فَقَطَعْتُهُ . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

বর্ণনাকারী উম্মে সাবেত কাব্‌শাহ বিনতে সাবেত, হাস্‌সান ইবনে সাবেতের ভগিনী (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট এলেন এবং একটি ঝুলন্ত মশকের মুখ থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। সুতরাং আমি উঠে তার মুখটা কেটে নিলাম। (তিরমিযী হাসান সহীহ)[১]উম্মে সাবেত মশকের মুখটি কেটেছিলেন; যাতে তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পবিত্র মুখ স্পর্শকৃত ঐ অংশটুকু সংরক্ষণ করেন, তার দ্বারা বরকত লাভ করেন এবং অসম্মান থেকে বাঁচিয়ে রাখেন। এ হাদীসটি সরাসরি পাত্রের মুখ থেকে পানি পান করার বৈধতার উপর বর্তানো যায়। আর পূর্বোক্ত হাদীস দু’টি এ ব্যাপারে উত্তম ও পূর্ণাঙ্গরীতি বর্ণনা করার জন্য এসেছে। আর আল্লাহই বেশি জানেন।

তিরমিযী ১৮৯২, ইবনু মাজাহ ৩৪২৩

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18