শিষ্টাচার
২/৮৮. অধ্যায়ঃ
মিষ্টি কথা বলা এবং হাসি মুখে সাক্ষাৎ করার গুরুত্ব
আল্লাহ তা’আলা বলেন,﴿ۡ وَٱخۡفِضۡ جَنَاحَكَ لِلۡمُؤۡمِنِينَ ﴾ [الحجر: ٨٨]অর্থাৎ “মু’মিনদের জন্য তুমি তোমার বাহুকে অবনমিত রাখ।” সূরা হিজর ৮৮ আয়াত)তিনি আরো বলেন,﴿ وَلَوۡ كُنتَ فَظًّا غَلِيظَ ٱلۡقَلۡبِ لَٱنفَضُّواْ مِنۡ حَوۡلِكَۖ ﴾ [ال عمران: ١٥٩]অর্থাৎ “আল্লাহর দয়ায় তুমি তাদের প্রতি হয়েছিলে কোমল-হৃদয়; যদি তুমি রূঢ় ও কঠোর চিত্ত হতে তাহলে তারা তোমার আশপাশ হতে সরে পড়ত।” (সূরা আলে ইমরান ১৫৯ আয়াত)
রিয়াদুস সলেহিন
وَعَن عَدِيِّ بنِ حَاتِمٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَبِكَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ ». متفقٌ عَلَيْهِ
বর্ণনাকারী আদী ইবনে হাতেম (রাঃ)
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যদি আধখানা খেজুর দান করে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে পার তবুও বাঁচ। যদি কোন ব্যক্তি এটাও না পায়, তাহলে সে যেন ভাল কথা বলে বাঁচে। (বুখারী ও মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ৬০২৩, ১৪১৩, ১৪১৭, ৩৫৯৫, ৬৫৩৯, ৬৫৬৩, ৭৪৪৩, ৭৫১২, মুসলিম ১০১৬, নাসায়ী ২৫৫২, ২৫৫৩, আহমাদ ১৭৭৮২