বিবিধ
১/৫০. অধ্যায়ঃ
আল্লাহ ও তাঁর আযাবকে ভয় করা
রিয়াদুস সলেহিন
وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «يُحْشَرُ النَّاسُ يَوْمَ القِيَامَةِ حُفَاةً عُرَاةً غُرْلاً قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، الرِّجَالُ وَالنِّسَاءُ جَمِيعاً يَنْظُرُ بَعضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ؟! قَالَ: يَا عائِشَةُ، الأمرُ أشَدُّ مِنْ أنْ يُهِمَّهُمْ ذلِكَوفي رواية: الأَمْرُ أهمُّ مِنْ أنْ يَنْظُرَ بَعضُهُمْ إِلَى بَعضٍ . مُتَّفَقٌ عَلَيهِ
বর্ণনাকারী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ’আনহু
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’মানুষকে হাশরের ময়দানে উঠানো হবে খালি পা, উলঙ্গ ও খাতনাবিহীন অবস্থায়।’’ আয়েশা (রাঃ)া বলেন, আমি বললাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! পুরুষ ও মহিলারা একে অপরের প্রতি দৃষ্টিপাত করবে?’ তিনি বললেন, ’’হে আয়েশা! তাদের এরূপ ইচ্ছা করার চাইতেও কঠিন হবে তখনকার অবস্থা।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [১]অন্য এক বর্ণনায় আছে, ’’তাদের একে অন্যের দিকে তাকাতাকি করা অপেক্ষা ব্যাপার আরো গুরুতর হবে।’’
সহীহুল বুখারী ৬৫২৭, মুসলিম ২৮৫৯, নাসায়ী ২০৮৩, ২০৮৪, ইবনু মাজাহ ৪২৭৬, আহমাদ ২৩৭৪৪, ২৪০৬৭