বিবিধ
১/৪০. অধ্যায়ঃ
পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার এবং আত্মীয়তা অক্ষুণ্ণ রাখার গুরুত্ব
রিয়াদুস সলেহিন
وَعَن أُمِّ الْمُؤمِنِينَ مَيمُونَةَ بِنتِ الحَارِثِ رَضِيَ اللهُ عَنهَا: أنَّهَا أعْتَقَتْ وَلِيدَةً وَلَمْ تَستَأذِنِ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا كَانَ يَوْمُهَا الَّذِي يَدُورُ عَلَيْهَا فِيهِ، قَالَتْ: أشَعَرْتَ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، أنِّي أعتَقْتُ وَلِيدَتِي؟ قَالَ: «أَوَ فَعَلْتِ؟» قَالَتْ: نَعَمْ. قَالَ: « أما إنَّكِ لَوْ أعْطَيْتِهَا أخْوَالَكِ كَانَ أعْظَمَ لأََِجْرِكِ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ
বর্ণনাকারী উম্মুল মু’মেনীন মায়মূনাহ বিনতিল হারেস রাদিয়াল্লাহু আনহা
উম্মুল মু’মেনীন মায়মূনাহ বিনতিল হারেস (রাঃ)া কর্তৃক বর্ণিত, তিনি তাঁর একটি ক্রীতদাসীকে নবী (ﷺ)-এর অনুমতি না নিয়েই মুক্ত করলেন। অতঃপর যখন ঐ দিন এসে পৌঁছল, যেদিন তাঁর কাছে নবী (ﷺ)-এর যাওয়ার পালা, তখন মায়মূনাহ বললেন, ’হে আল্লাহর রাসূল! আমি যে আমার ক্রীতদাসীকে মুক্ত করে দিয়েছি, আপনি কি তা বুঝতে পেরেছেন?’ তিনি বললেন, ’’তুমি কি (সত্যই) এ কাজ করেছ?’’ মায়মূনা বললেন, ’জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, ’’তুমি যদি ক্রীতদাসীটিকে তোমার মামাদেরকে দিতে, তাহলে তুমি বেশী সওয়াব পেতে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ২৫৯২, মুসলিম ৯৯৯, আবূ দাউদ ১৬৯০, আহমাদ ২৬২৭৭