ক্ষমাপ্রার্থনামূলক নির্দেশাবলী
২০/৩৭২. অধ্যায়ঃ
আল্লাহ তা‘আলা মুমিনদের জন্য জান্নাতের মধ্যে যা প্রস্তুত রেখেছেন
রিয়াদুস সলেহিন
وَعَنْه رضي الله عنه قَالَ: شَهِدْتُ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَجْلِساً وَصَفَ فِيهِ الجَنَّةَ حَتَّى انْتَهَى، ثُمَّ قَالَ فِي آخِرِ حَدِيثِهِ : «فيهَا مَا لاَ عَينٌ رَأَتْ، وَلاَ أُذُنٌ سَمِعَتْ، وَلاَ خَطَرَ عَلى قَلْبِ بَشَرٍ» ثُمَّ قَرَأَ : ﴿(تتجافى جنوبهم عن المضاجع إلى قوله تعالى: فلا تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين﴾ [السجدة: ١٦، ١٧] . رواه البخاري
বর্ণনাকারী উক্ত রাবী (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-এর এমন এক মজলিসে উপস্থিত ছিলাম, যেখানে তিনি জান্নাত সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি তা সমাপ্ত করলেন এবং আলোচনার শেষে বললেন, ’’জান্নাতে এমন নিয়ামত [সুখ-সামগ্রী] বিদ্যমান আছে যা কোন চক্ষু দর্শন করেনি, কোন কর্ণ শ্রবণ করেনি এবং কোন মানুষের মনে তার ধারণার উদ্রেকও হয়নি. তারপর তিনি এই আয়াত পাঠ করলেন, যার অর্থ হল, ’তারা শয্যা-ত্যাগ করে আকাঙ্ক্ষা ও আশংকার সাথে তাদের প্রতিপালককে ডাকে এবং আমি তাদেরকে যে রুযী প্রদান করেছি তা হতে তারা দান করে। কেউই জানে না তার জন্য তার কৃতকর্মের বিনিময় স্বরূপ নয়ন-প্রীতিকর কি পুরস্কার লুকিয়ে রাখা হয়েছে।’’(সূরা সিজদা ১৬-১৭ আয়াত, বুখারী][১]
মুসলিম ২৮২৫, আহমাদ ২১৯