নিষিদ্ধ বিষয়াবলী

১৮/৩৪৫. অধ্যায়ঃ

রোযার জন্য জুমার দিন এবং নামাযের জন্য জুমার রাত নির্দিষ্ট করা মাকরূহ

রিয়াদুস সলেহিন

وَعَنْ أُمِّ المُؤْمِنِينَ جُوَيرِيَّةَ بِنْتِ الحَارِثِ رَضِيَ اللهُ عَنهَا : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَيْهَا يَوْمَ الجُمُعَةِ وهِيَ صَائِمَةٌ، فَقَالَ: «أَصُمْتِ أمْسِ ؟ قَالَتْ : لاَ، قَالَ: تُرِيدِينَ أَنْ تَصُومِي غَداً ؟ قَالَتْ : لاَ . قَالَ: «فَأَفْطِرِي» . رواه البخاري

বর্ণনাকারী মু’মিন জননী জুয়াইরিয়্যাহ বিন্তে হারেষ রাদিয়াল্লাহু আনহা

নবী (ﷺ) জুমার দিনে তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন, তখন তিনি [জুয়াইরিয়াহ] রোযা অবস্থায় ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে প্রশ্ন করলেন, ’’তুমি কি গতকাল রোযা রেখেছিলে?’’ তিনি বললেন, ’না।’ [নবী (ﷺ)] বললেন, ’’আগামীকাল রোযা রাখার ইচ্ছা আছে তো?’’ তিনি জবাব দিলেন, ’না।’ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ’’তাহলে রোযা ভেঙ্গে ফেল।’’(বুখারী)[১]

সহীহুল বুখারী ১৯৮৬, আবূ দাউদ ২৪২২, আহমাদ ৬৭৩২, ২৬২১৫

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18