নিষিদ্ধ বিষয়াবলী

১৮/২৭৯. অধ্যায়ঃ

গর্ব ও বিদ্রোহাচরণ করা নিষেধ

আল্লাহ তা’আলা বলেন,﴿فَلَا تُزَكُّوا أَنْفُسَكُمْ ۖ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقَىٰ﴾[النجم : ٣٢]অর্থাৎ তোমরা আত্মপ্রশংসা করো না। তিনিই সম্যক জানেন আল্লাহ-ভীরু কে।(সূরা নজম ৩২ আয়াত)তিনি আরও বলেছেন,﴿إِنَّمَا السَّبِيلُ عَلَى الَّذِينَ يَظْلِمُونَ النَّاسَ وَيَبْغُونَ فِي الْأَرْضِ بِغَيْرِ الْحَقِّ ۚ أُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ﴾ [الشورى: ٤٢]অর্থাৎ কেবল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যারা মানুষের ওপর অত্যাচার করে এবং পৃথিবীতে অহেতুক বিদ্রোহাচরণ করে বেড়ায়। তাদের জন্যই রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি।(সূরা শূরা ৪২ আয়াত)

রিয়াদুস সলেহিন

وَعَنْ أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِذَا قَالَ الرَّجُلُ : هَلَكَ النَّاسُ، فَهُوَ أَهْلَكُهُمْ». رواه مسلم

বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’যে ব্যক্তি [গর্বভরে] বলে, লোকেরা সব ধ্বংস হয়ে গেল, সে তাদের মধ্যে সর্বাধিক বেশি ধ্বংসোন্মুখ।’’(মুসলিম)[১]প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী [أهْلَكُهُمْ] ’কাফ’ বর্ণে পেশ হবে। [যার অর্থ হবে: সে তাদের মধ্যে সর্বাধিক বেশি ধ্বংসোন্মুখ।] ’কাফ’ বর্ণে যবর দিয়েও বর্ণনা করা হয়েছে। [যার অর্থ: সেই তাদেরকে ধ্বংস করল।] ’সবাই উচ্ছন্নে গেল বা ধ্বংস হয়ে গেল’ বলা সেই ব্যক্তির জন্য নিষেধ, যে গর্বভরে সকলকে অবজ্ঞা করে ও নিজেকে সর্বশ্রেষ্ঠ ভেবে ঐ কথা বলে। এটাই হল হারাম। কিন্তু কোন ব্যক্তি যদি লোকদের মধ্যে দ্বীনদারীর অভাব প্রত্যক্ষ করে দ্বীনী আবেগের বশীভূত হয়ে দুঃখ প্রকাশ করার মানসে ঐ কথা মুখ থেকে বের করে, তাহলে তাতে কোন ক্ষতি নেই। উলামাগণ এরূপই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। উক্ত ব্যাখ্যাকারী উলামাগণের মধ্যে ইমাম মালেক ইবনে আনাস, খাত্ত্বাবী, হুমাইদী [রহঃ] প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। আমি আমার ’আযকার’ নামক গ্রন্থে তার উপর আলোকপাত করেছি।

মুসলিম ২৬২৩, আবূ দাউদ ৪৯৮৩, আহমাদ ৮৩০৯, ৯৬৭৮, ১০৩১৯, মুওয়াত্তা মালিক ১৮৪৫

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18