নিষিদ্ধ বিষয়াবলী
১৮/২৫৮. অধ্যায়ঃ
জনগণের কথাবার্তা নিষ্প্রয়োজনে শাসক ও সরকারী কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছানো নিষেধ। তবে যদি কোন ক্ষতি বা বিশৃঙ্খলার আশংকা হয় তাহলে তা করা সিদ্ধ
রিয়াদুস সলেহিন
وَعَنِ ابْنِ مَسعُود رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لَا يُبَلِّغْنِيْ أَحَدٌ مِّنْ أَصْحَابِيْ عَنْ أَحَدٍ شَيْئاً، فَإنِّيْ أُحِبُّ أنْ أَخْرُجَ إِليْكُمْ وَأَنَا سَلِيْمُ الصَّدْرِ» رواه أبو داود والترمذي
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)
পূর্বোক্ত পরিচ্ছেদের হাদিসগুলিও এই পরিচ্ছেদের জন্য প্রযোজ্য।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরশাদ করেছেন: আমার সম্মুখে আমার সাহাবীদের কেউ যেন অন্য কারো দোষ-ত্রুটি বর্ণনা না করে। কেননা তোমাদের সঙ্গে আমি প্রশান্ত মন নিয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই। [আবূ দাউদ ও তিরমিযী][১]
আমি [আলবানী) বলছিঃ ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে গারীব মনে করে তার দুর্বল হওয়ার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। আর এর সনদে মাজহূল বর্ণনাকারী রয়েছেন যেমনটি আমি ‘‘মিশকাত’’ গ্রন্থে [নং ৪৮৫২) বর্ণনা করেছি। [আর মাজহূল বর্ণনাকারী হচ্ছেন ওয়ালীদ ইবনু আবী হিশাম]। শু‘য়াইব আলআরনাঊতও হাদীসটিকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। দেখুন আবূ আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ্ নায়াঅনী কর্তৃক লিখিত গ্রন্থঃ ‘‘মাজমূ‘আতুল আহাদীসুয য‘ঈফাহ্ ফী কিতাবি রিয়াযিস সালেহীন’’ [২৯)।