(আল্লাহর পথে) জিহাদ
১২/২৪০. অধ্যায়ঃ
ক্রয়-বিক্রয় ও লেনদেনের ক্ষেত্রে উদারতা দেখানো, উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ ও প্রাপ্য তলব করা, ওজন ও মাপে বেশি দেওয়ার মাহাত্ম্য, ওজন ও মাপে নেওয়ার সময় বেশী নেওয়া এবং দেওয়ার সময় কম দেওয়া নিষিদ্ধ এবং ধনী ঋণদাতার অভাবী ঋণগ্রহীতাকে (যথেষ্ট সময় পর্যন্ত) অবকাশ দেওয়া ও তার ঋণ মকুব করার ফযীলত
রিয়াদুস সলেহিন
وَعَن أَبي مَسعُودٍ البَدرِي رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم : «حُوسِبَ رَجُلٌ مِمَّنْ كَانَ قَبْلَكُمْ، فَلَمْ يُوجَدْ لَهُ مِنَ الخَيْرِ شَيْءٌ، إِلاَّ أَنَّهُ كَانَ يُخَالِطُ النَّاسَ وَكَانَ مُوسِراً، وَكَانَ يَأمُرُ غِلْمَانَهُ أَنْ يَتَجَاوَزُوا عَن المُعْسِر. قَالَ اللهُ - عَزَّ وَجَلَّ -: نَحْنُ أَحَقُّ بِذلِكَ مِنْهُ؛ تَجَاوَزُوا عَنْهُ». رواه مسلم
বর্ণনাকারী আবূ মাসঊদ বদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের মধ্যে একটি লোকের হিসাব নেওয়া হয়েছিল। তার একটি মাত্র সৎকর্ম ব্যতিরেকে আর কোন ভাল কাজ পাওয়া যায়নি। সেটি হল এই যে, সে লোক সমাজে মিলে-মিশে থাকত। সে ছিল সচ্ছল (বিত্তশালী) ব্যক্তি। নিজ চাকরদেরকে গরীব ঋণগ্রস্তদের ঋণ মওকুফ করার নির্দেশ দিত। (এসব দেখে) আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বললেন, ’আমি তো ওর চাইতে বেশি ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকারী। (হে ফেরেশতাবর্গ!) তোমরা ওকে মাফ করে দাও।”(মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ২৩৯১, মুসলিম ১৫৬১, তিরমিযী ১৩০৭, ২৬৭১, ইবনু মাজাহ ২৪২০, আহমাদ ১৬৬১৬, ১৬৬৩৫