বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে

৯/২১৮. অধ্যায়ঃ

মাহে রমযানে অ-ধিকাধিক সৎকর্ম ও দান খয়রাত করা তথা এর শেষ দশকে আরও বেশী সৎকর্ম করা প্রসঙ্গে

রিয়াদুস সলেহিন

وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أَجْوَدَ النَّاسِ، وَكَانَ أَجْوَدَ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ حِيْنَ يَلْقَاهُ جِبْريلُ، وَكَانَ جِبْرِيلُ يَلْقَاهُ فِي كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ رَمَضَانَ فَيُدَارِسُهُ القُرْآنَ، فَلَرَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، حِيْنَ يَلْقَاهُ جِبرِيلُ أَجْوَدُ بِالخَيْرِ مِن الرِّيحِ المُرْسَلَةِ. متفقٌ عَلَيْهِ

বর্ণনাকারী ইবনে আব্বাস (রাঃ)

তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সমস্ত লোকের চেয়ে অধিক দানশীল ছিলেন। আর মাহে রমযানে যখন জিবরাঈল তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আরও বেশী বদান্যতা প্রদর্শন করতেন। জিবরাঈল মাহে রমযানের প্রত্যেক রজনীতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং তাঁর কাছে কুরআন পুনরাবৃত্তি করতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিবরাঈলের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে অবশ্যই কল্যাণবহ মুক্ত বায়ু অপেক্ষা অধিক দানশীল ছিলেন।’ (বুখারী ও মুসলিম) [১]

সহীহুল বুখারী ৬, ১৯০২, ৩২২০, ৩৪৫৪, ৪৯৯৭, মুসলিম ২৩০৮, নাসায়ী ২০৯৫, আহমাদ ২৬১১, ৩৪১৫, ৩৪৫৯, ৩৫২৯

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18