বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে
৯/১৯৪. অধ্যায়ঃ
প্রথম কাতারের ফযীলত, প্রথম কাতারসমূহ পূরণ করা, কাতার সোজা করা এবং ঘন হয়ে কাতার বাঁধার গুরুত্ব
রিয়াদুস সলেহিন
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّه عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُوْلُ اللَّه صلى الله عليه وسلم:إِنَّ اللَّه وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّوْنَ عَلىٰ مَيَامِنِ الصُّفُوْفِ» رواه أبو داود بإِسناد عَلى شرْطِ مُسْلِمٍ، وفيهِ رجلٌ مُخْتَلَفٌ في توْثِيقِهِ .
বর্ণনাকারী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা
নবী (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহ অবশ্যই কাতারগুলোর ডানদিকের উপর রহমত বর্ষণ করেন এবং আল্লাহর ফেরেশতারা তাদের জন্য দো’আ করতে থাকেন। (আবূ দাউদ) [১]
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি (বর্ণনাকারী উসমা হচ্ছেন উসামা ইবনু যায়েদ লাইসী। সমালোচক মুহাক্কেক আলেমদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে এই যে, তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে ভালো যদি তার বিরোধিতা করা না হয়। এ কারণে তার এ হাদীসকে একদল হাফিয হাসান আখ্যা দিয়েছেন। কিন্তু হাদীসটি এ ভাষায় শায অথবা মুনকার। কারণ তিনি অন্য সব নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর বিরোধিতা করে এককভাবে এটিকে বর্ণনা করেছেন। আর বর্ণনাকারী মু‘য়াবিয়্যাহ্ ইবনু হিশামের মধ্যে তার হেফযের দিক দিয়ে দুর্বলতা রয়েছে। (তবুও বিরোধিতা না হয়ে থাকলে তার হাদীসও গ্রহণযোগ্য)। হাদীসটি নিরাপদ হচ্ছে (যেমনটি বাইহাক্বী বলেছেন) এ ভাষায়ঃ “আল্লাহ্ রহমাত নাযিল করেন আর ফেরেশতারা তাদের প্রতি রহমাত কামনা করে দু‘আ করেন যারা কাতার সমূহকে (ফাঁক না রেখে) পূর্ণ করে দাঁড়ায়”। যেমনটি আমি “মিশকাত” গ্রন্থের (নং ১০৯৬) টীকায় উল্লেখ করেছি আর “য‘ঈফু আবী দাঊদ” (নং ১৫৩) এবং “সহীহ্ আবী দাঊদ” গ্রন্থে (৬৮০) বর্ণনা করেছি। আবূ ৬৭৬, ইবনু মাজাহ ১০০৫।