বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে
৯/১৮৫. অধ্যায়ঃ
ওজুর ফযীলত
রিয়াদুস সলেহিন
وَعَنْ عُمَرَ بنِ الخَطَّابِ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: مَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ يَتَوَضَّأُ فَيُبْلِغُ أَوْ فَيُسْبِغُ ألوُضُوءَ، ثُمَّ يَقُوْلُ: أَشهَدُ أَنْ لاَ إلٰهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ؛ إِلاَّ فُتِحَتْ لَهُ أَبْوَابُ الجَنَّةِ الثَّمَانِيَةُ يَدْخُلُ مِنْ أَيِّهَا شَاءَ. رواه مسلم، وزاد الترمذي: اَللهم اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ، وَاجْعَلْنِي مِنَ المُتَطَهِّرِينَ
বর্ণনাকারী উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, “পরিপূর্ণরূপে ওজু করে যে ব্যক্তি এই দো’আ বলবে,’আশহাদু আল লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অহদাহু লা শারীকা লাহ, অ আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু অরাসূলুহ।’অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোন অংশী নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (ﷺ) তাঁর দাস ও প্রেরিত দূত (রাসূল)। তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে, যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা তাতে প্রবেশ করবে।” (মুসলিম) [১]ইমাম তিরমিযী (উক্ত দুআর শেষে) এ শব্দগুলি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন,«اَللهم اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ، وَاجْعَلْنِي مِنَ المُتَطَهِّرِينَ»অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাকে তওবাকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর। (তিরমিযী, সহীহ<, তামামুল মিন্নাহ দ্রঃ)
মুসলিম ২৩৪, তিরমিযী ৫৫, নাসায়ী ১৪৮, ১৫১, আবূ দাউদ ১৬৯, ৯০৬, ইবনু মাজাহ ৪৭০, আহমাদ ১৬৯১২, ১৬৯৪২, ১৬৯৯৫