পোষাক-পরিচছদ
৪/১১৭. অধ্যায়ঃ
সাদা কাপড় পরা উত্তম। লাল, সবুজ, হলুদ এবং কালো রঙের কাপড় পরাও বৈধ। আর রেশম ব্যতিত সুতি, উল, পশমি ইত্যাদি সবরকমের কাপড় পরা জায়েজ।
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ১/৭৮৩
وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: اِلْبَسُوا مِنْ ثِيَابِكُمْ البَيَاضَ ؛ فَإنَّهَا مِنْ خَيْرِ ثِيَابِكُمْ، وَكَفِّنُوا فِيهَا مَوْتَاكُمْ . رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح
বর্ণনাকারী ইবনে আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’তোমরা তোমাদের সাদা রঙের কাপড় পরিধান কর। কেননা, তা তোমাদের সর্বোত্তম কাপড়। আর ওতেই তোমাদের মৃত ব্যক্তিদেরকে কাফন দাও।’’ আবূ দাঊদ, তিরমিযী হাসান সহীহ)[১]
আবূ দাউদ ৩৮৭৮, তিরমিযী ১৭৫৭, ২০৪৮, ইবনু মাজাহ ৩৪৯৭, আহমাদ ২০৪৮, ২২২০, ২৪৭৫, ৩০২৭, ৩৩৩২, ৩৪১৬
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ২/৭৮৪
وَعَن سَمُرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: اِلْبَسُوا البَيَاضَ ؛ فَإنَّهَا أَطْهَرُ وَأطْيَبُ، وَكَفِّنُوا فِيهَا مَوْتَاكُمْ ». رواه النسائي والحاكم، وقال: حديث صحيح »
বর্ণনাকারী সামুরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’তোমরা সাদা রঙের কাপড় পরিধান কর। কেননা, তা সবচেয়ে পবিত্র ও উৎকৃষ্ট। আর ওতেই তোমাদের মৃতদেরকে কাফন দাও।’’ (নাসাঈ, হাকেম, তিনি বলেন হাদীসটি সহীহ)[১]
সহীহ তারগীব ২০২৭
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ৩/৭৮৫
وَعَنِ البَرَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مَرْبُوعاً، وَلَقَدْ رَأيْتُهُ فِي حُلَّةٍ حَمْرَاءَ مَا رَأيْتُ شَيْئاً قَطُّ أحْسَنَ مِنْهُ . متفقٌ عَلَيْهِ
বর্ণনাকারী বারা’ ইবনে আযেব (রাঃ)
তিনি বলেন, ’নবী (ﷺ) মধ্যম আকৃতির লম্বা ছিলেন। আমি তাঁকে লাল পোশাক পরিহিত অবস্থায় দেখেছি। আমি তাঁর চাইতে অধিক সুন্দর আর কাউকে দেখিনি।’ (বুখারী ও মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ৩৫৪৯, ৩৫৫১, ৩৫৫২, ৫৮৪৮, ৫৯০১, মুসলিম ২৩৩৭, তিরমিযী ১৭২৪, ৩৬৩৫, ৩৬৩৬, নাসায়ী ৫০৬০, ৫০৬২, ৫২৩২, ৫২৩৩, ৫৩১৪, আবূ দাউদ ৪১৮৩, ১৮০৮৬, ১৮১৯১
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ৪/৭৮৬
وَعَن أَبي جُحَيفَةَ وَهْبِ بنِ عَبدِ اللهِ رضي الله عنه، قَالَ: رَأيتُ النبيَّ صلى الله عليه وسلم بِمكّةَ وَهُوَ بِالأَبْطَحِ في قُبَّةٍ لَهُ حَمْرَاءَ مِنْ أَدَمٍ، فَخَرَجَ بِلاَلٌ بِوَضُوئِهِ، فَمِنْ نَاضِحٍ وَنَائِلٍ، فَخَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيهِ حُلَّةٌ حَمْرَاءُ، كَأنِّي أنْظُرُ إِلَى بَيَاضِ سَاقَيْهِ، فَتَوَضّأ وَأذَّنَ بِلاَلٌ، فَجَعَلْتُ أتَتَبَّعُ فَاهُ هَاهُنَا وَهَاهُنَا، يَقُولُ يَمِيناً وَشِمَالاً: حَيَّ عَلَى الصَّلاَةِ، حَيَّ عَلَى الفَلاَحِ، ثُمَّ رُكِزَتْ لَهُ عَنَزَةٌ، فَتَقَدَّمَ فَصَلَّى يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ الْكَلْبُ وَالْحِمَارُ لاَ يُمْنَعُ . متفقٌ عَلَيْهِ .
বর্ণনাকারী আবূ জুহাইফাহ অহাব ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে মক্কায় দেখলাম, যখন তিনি আবত্বাহ নামক স্থানে চর্মনির্মিতলাল রঙের শিবিরেঅবস্থান করছিলেন। বিলাল তাঁর ওজুর পানি নিয়ে বাইরে বের হলেন। কিছু লোক (বরকত হাসিল করার জন্য) উক্ত পানির ছিটা পেল আর কিছু সংখ্যক লোক পানি পেল। তারপর নবী (ﷺ) লাল রঙের জোড়া বস্ত্র পরিহিত অবস্থায় বাইরে এলেন। যেন আমি তাঁর দুই পায়ের গোছার শুভ্রতা প্রত্যক্ষ করছি। অতঃপর তিনি ওজু করলেন এবং বিলাল আযান দিলেন।আমি তাঁর এদিক ওদিক মুখ ফিরানো লক্ষ্য করছিলাম। তিনি ডানে ও বামে মুখ ফিরিয়ে ’হাইয়্যা আলাস স্বালাহ’, ’হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলছিলেন। অতঃপর নবী (ﷺ) এর জন্য একটি বর্শা (সুতরাহ স্বরূপ) পুঁতে দেওয়া হল। তারপর তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন এবং নামায পড়ালেন। তাঁর (সুতরার) সামনে দিয়ে কুকুর ও গাধা অতিক্রম করছিল। সেগুলোকে বাধা দেওয়া হচ্ছিল না। (বুখারী ও মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ১৮৮, ১৯৬, ৩৭৬, ৪৯৫, ৪৯৯, ৫০১, ৬৩৩, ৩৫৫৩, মুসলিম ৫০৩, ২৪৯৭, নাসায়ী ৪৭০, আবূ দাউদ ৬৮৮, আহমাদ ১৮২৬৮, ১৮২৭৮, দারেমী ১৪০৯
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ৫/৭৮৭
وَعَن أَبي رِمْثَة رِفَاعَةَ التَّيْمِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: رَأَيتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وَعَلَيهِ ثَوبَانِ أَخْضَرَانِ . رواه أَبُو داود والترمذي بإسناد صحيح
বর্ণনাকারী আবূ রিমসা রিফাআহ তাইমী (রাঃ)
তিনি বলেন, ’আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পরনে দুটো সবুজ রঙের কাপড় দেখেছি।’ (আবূ দাঊদ বিশুদ্ধ সূত্রে) [১]
আবূ দাউদ ৪০৬৫, ৪২০৬, তিরমিযী ২৮১২, ১৫৭২, আহমাদ ৭০৭১, ৭০৭৭, ১৭০২৭
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ৬/৭৮৮
وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم دَخَلَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاء . رواه مسلم
বর্ণনাকারী জাবের (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কা বিজয়ের দিন (সেখানে) কালো রঙের পাগড়ী পরে প্রবেশ করেছিলেন। (মুসলিম)[১]
মুসলিম ১৩৫৮, তিরমিযী ১৬৭৯, ১৭৩৫, ২৮৬৯, ৫৩৪৪, ৫৩৪৫ , আবূ দাউদ ৪০৭৬, ইবনু মাজাহ ২৮২২, ৩৫৮৫, আহমাদ ১৪৪৮৮, ১৪৭৩৭, দারেমী ১৯৩৯
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ৭/৭৮৯
وَعَن أَبي سَعِيدٍ عَمرِو بنِ حُرَيْثٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَأنِّي أنْظُرُ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ، قَدْ أرْخَى طَرَفَيْهَا بَيْنَ كَتِفَيْهِ . رواه مسلموفي روايةٍ لَهُ: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم خَطَبَ النَّاسَ، وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ
বর্ণনাকারী আবূ সা‘ঈদ ‘আম্র ইবনে হুরাইস (রাঃ)
তিনি বলেন, ’আমি যেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে কালো রঙের পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় দেখছি, তিনি তাঁর পাগড়ীর দুই প্রান্ত দুই কাঁধের মাঝখানে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন।’ (মুসলিম)[১]মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, ’রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কালো রঙের পাগড়ী মাথায় বেঁধে লোকদের মাঝে খুতবা দিচ্ছিলেন।’
মুসলিম ১৩৫৯ নাসায়ী ৫৩৪৩, ৫৩৪৬, আবূ দাউদ ৪০৭৭, ইবনু মাজাহ ১১০৪, ২৮২১, ৩৫৮৪, ৩৫৮৭, আহমাদ ১৮২৫৯
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ৮/৭৯০
وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: كُفِّنَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فِي ثَلاَثَةِ أثْوَابٍ بِيضٍ سَحُولِيَّةٍ مِنْ كُرْسُفٍ، لَيْسَ فِيهَا قَمِيصٌ وَلاَ عِمَامَةٌ .متفقٌ عَلَيْهِ
বর্ণনাকারী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা
তিনি বলেন, ’’রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে তিনটি সাদা সুতি বস্ত্রে কাফন দেওয়া হয়েছে যেগুলি ইয়ামানের ’সাহুল’ নামক স্থানে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ওগুলির মধ্যে কামীস (জামা) ছিল না। আর পাগড়ীও ছিল না।’’ (বুখারী-মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ১২৬৪, ১২৭১, ১২৭২, ১২৭৩, ১২৮৭, মুসলিম ৯৪১, তিরমিযী ৯৯৬, নাসায়ী ১৮৯৭, ১৮৯৮, ১৮৯৯, আবূ দাউদ ৩১৫১, ইবনু মাজাহ ১৪৬৯, আহমাদ ২৩৬০২, ২৪১০৪, ২৪৩৪৮, ২৪৪৮৪, ২৪৭৯৫, ২৫০৭৩, ২৫১৫২, ২৫২৬৭, ২৫৪১৮, ২৫৭৪৪, মুওয়াত্তা মালিক ৫২১
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ৯/৭৯১
وَعَنهَا، قَالَتْ: خَرَجَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ذَاتَ غَدَاةٍ، وَعَلَيْهِ مِرْطٌ مُرَحَّلٌ مِنْ شَعرٍ أسْوَدَ. رواه مسلم
বর্ণনাকারী উক্ত রাবী
তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন সকালে বের হলেন, তখন তাঁর দেহে পালানের ছবি ছাপা কাল লোমের চাদর ছিল।’ (মুসলিম)[১]’মুরাহহাল’ বলা হয় সেই কাপড়কে, যাতে ’রাহল’ (উটের পিঠে স্থিত জিন্ বা পালান) এর ছবি ছাপা থাকে। আরবীতে পালানকে ’আকওয়ার’ও বলে।
মুসলিম ২০৮১, তিরমিযী ২৮১৩, আবূ দাউদ ৪০৩২, আহমাদ ২৪৭৬৭
রিয়াদুস সলেহিন
হাদিস নং ১০/৭৯২
وَعَنِ المُغِيرَةِ بنِ شُعْبَةَ رضي الله عنه، قَالَ: كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ فِي مَسِيرٍ، فَقَالَ لِي: «أمَعَكَ مَاءٌ ؟» قُلتُ: نَعَمْ، فَنَزَلَ عَنْ رَاحِلَتِهِ فَمَشَى حَتَّى تَوَارَى فِي سَوَادِ اللَّيْلِ، ثُمَّ جَاءَ فَأفْرَغْتُ عَلَيْهِ مِنَ الإدَاوَةِ، فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ مِنْ صُوفٍ، فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يُخْرِجَ ذِرَاعَيْهِ مِنْهَا حَتَّى أخْرَجَهُمَا مِنْ أسْفَلِ الْجُبَّةِ، فَغَسَلَ ذِرَاعَيْهِ وَمَسَحَ بِرَأسِهِ، ثُمَّ أهْوَيْتُ لأَنْزِعَ خُفَّيْهِ، فَقَالَ: « دَعْهُمَا فَإنِّي أَدْخَلْتُهُمَا طَاهِرَتَيْنِ » وَمَسحَ عَلَيْهِمَا . متفقٌ عَلَيْهِ .وفي رواية: وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ شَامِيَّةٌ ضَيِّقَةُ الكُمَّيْنِ .وفي رواية: أنَّ هذِهِ القَضِيَّةَ كَانَتْ في غَزْوَةِ تَبُوكَ .
বর্ণনাকারী মুগীরাহ ইবনে শু’বা (রাঃ)
তিনি বলেন, এক সফরে আমি রাতের বেলায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি আমাকে বললেন, ’’তোমার কাছে পানি আছে কি?’’ আমি বললাম, ’জী হ্যাঁ।’ সুতরাং তিনি স্বীয় বাহন থেকে নামলেন এবং চলতে লাগলেন। এমনকি শেষ পর্যন্ত রাতের অন্ধকারে অদৃশ্য হয়ে গেলেন। তারপর যখন ফিরে এলেন, তখন আমি পাত্র থেকে (পানি) ঢেলে দিলাম।তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ধুলেন। তাঁর পরনে ছিল পশমী জুব্বা। তিনি তা হতে তাঁর হাত দু’টিকে বের করতে সক্ষম হলেন না। পরিশেষে তিনি জুব্বার নিচের দিক দিয়ে হাত বের করলেন। অতঃপর তিনি তাঁর হাত দু’টি ধুলেন ও মাথা মাসাহ করলেন। তারপর আমি তাঁর মোজা খুলে নেওয়ার জন্য হাত বাড়ালাম। তিনি বললেন, ছেড়ে দাও। কেননা, আমি ওগুলো পবিত্র (ওজু) অবস্থায় পায়ে দিয়েছি। অতঃপর তিনি তার উপর মাসাহ করলেন। (বুখারী ও মুসলিম)[১]অপর বর্ণনায় আছে, তাঁর দেহে ছিল শামী জুববা; যার হাতা দু’টি টাইট ছিল।অন্য বর্ণনায় আছে, এ ঘটনাটি ছিল তাবূক যুদ্ধের সফরে।
সহীহুল বুখারী ১৮২, ২০৩, ২০৬, ৩৬৩, ৩৮৮, ২৯১৮, ৪৪২১, ৫৭৯৮, ৫৭৯৯, মুসলিম ২৭৪, তিরমিযী ৯৭, ৯৮, ১০০, নাসায়ী ৭৯, ৮২, আবূ দাউদ ১৪৯, ১৫০, ১৫১, ইবনু মাজাহ ৫৪৫, ৫৫০, আহমাদ ১৭৬৬৮, ১৭৬৭৫, ১৭৬৯১, ১৭৬৯৯, ১৭৭১০, ১৭৭১৭, ১৭৭৪১, ১৭৭৫৫, মুওয়াত্তা মালেক ৭৩, দারেমী ৭১৩