নামাজের সময়সীমা

৬/৫১. অধ্যায়ঃ

যথাসময়ে সলাত আদায় করার মর্যাদা

সুনানে নাসাঈ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ وَعَمْرُو بْنُ يَزِيدَ قَالَا: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ فِي مَسْجِدِ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ فَأُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَجُعِلُوا يُنْتَظَرُونَهُ فَقَالَ: إِنِّي كُنْتُ أُوتِرُ. قَالَ: وَسُئِلَ عَبْدُ اللَّهِ هَلْ بَعْدَ الْأَذَانِ وِتْرٌ؟ قَالَ: «نَعَمْ. وَبَعْدَ الْإِقَامَةِ»، وَحَدَّثَ «عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ» نَامَ عَنِ الصَّلَاةِ حَتَّى طَلَعَتِ الشَّمْسُ، ثُمَّ صَلَّى " وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى---________________________________________[حكم الألباني] صحيح الإسناد إن كان محمد بن المنتشر سمع ابن مسعود وقصة النوم صحيحة

বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইব্‌ন মুনতাশির (রহঃ)

তিনি একদিন আমর ইবন শুরাহবিল (রাঃ)-এর মসজিদে উপস্থিত ছিলেন। এমন সময় ইকামাত দেয়া হলো। সালাত আদায়কারীরা তাঁর অপেক্ষা করতে লাগলেন। পরে তিনি বললেন, আমি বিতরের সালাত আদায় করছিলাম।রাবী বলেন, তখন আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর কাছে ফাতাওয়া জিজ্ঞেস করা হল যে, আজানের পরে কি বিতর আদায় করা যায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ, শুধু আজান কেন ইকামাতের পরেও। এ ব্যাপারে তিনি নবী (ﷺ) হতে হাদিসও বর্ণনা করলেন যে, একবার তিনি (ﷺ) ফজরের সালাতের সময় ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। এমতাবস্থায় সূর্য উদিত হলো। তারপর ঘুম হতে জেগে ফজর সালাত আদায় করলেন।

[১] এই সময়ে বিতর কাযা আদায় করা যায়।[২] এটা ৭ম হিজরীতে খায়বার যুদ্ধ থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় লাইলাতুত-তারীসের ঘটনা ছিল। প্রায় শেষ রাত্রে পথিমধ্যে অবতরণ করে বিলাল (রাঃ) -কে পাহারাদার নিযুক্ত করে সকলেই ঘুমিয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর বিলাল (রাঃ) -ও ঘুমিয়ে পড়লেন। এমতাবস্থায় সূর্যোদয় হয়ে গেল। সকালে জাগ্রত হওয়ার পর এ জায়গা ত্যাগ করে অন্যত্র গিয়ে সালাত কাযা করলেন।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18