নামাজের সময়সীমা
৬/১৫. অধ্যায়ঃ
মাগরিবের শেষ সময়
সুনানে নাসাঈ
أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَأَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ وَاللَّفْظُ لَهُ قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ بَدْرِ بْنِ عُثْمَانَ قَالَ إِمْلَاءً عَلَيَّ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَائِلٌ يَسْأَلُهُ عَنْ مَوَاقِيتِ الصَّلَاةِ فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ شَيْئًا، فَأَمَرَ بِلَالًا فَأَقَامَ بِالْفَجْرِ حِينَ انْشَقَّ، ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ بِالظُّهْرِ حِينَ زَالَتِ الشَّمْسُ وَالْقَائِلُ يَقُولُ: انْتَصَفَ النَّهَارُ وَهُوَ أَعْلَمُ، ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ بِالْعَصْرِ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ، ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ بِالْمَغْرِبِ حِينَ غَرَبَتِ الشَّمْسُ، ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ بِالْعِشَاءِ حِينَ غَابَ الشَّفَقُ، ثُمَّ أَخَّرَ الْفَجْرَ مِنَ الْغَدِ حِينَ انْصَرَفَ وَالْقَائِلُ يَقُولُ: طَلَعَتِ الشَّمْسُ، ثُمَّ أَخَّرَ الظُّهْرَ إِلَى قَرِيبٍ مِنْ وَقْتِ الْعَصْرِ بِالْأَمْسِ، ثُمَّ أَخَّرَ الْعَصْرَ حَتَّى انْصَرَفَ وَالْقَائِلُ يَقُولُ: احْمَرَّتِ الشَّمْسُ، ثُمَّ أَخَّرَ الْمَغْرِبَ حَتَّى كَانَ عِنْدَ سُقُوطِ الشَّفَقِ، ثُمَّ أَخَّرَ الْعِشَاءَ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ، ثُمَّ قَالَ: «الْوَقْتُ فِيمَا بَيْنَ هَذَيْنِ»
বর্ণনাকারী আবূ মূসা (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে প্রশ্ন করল। তিনি কোন উত্তর না দিয়ে বিলাল (রাঃ)-কে সালাতের প্রস্তুতির জন্যে আদেশ করলেন। ফজর হলে বিলাল (রাঃ) ফজরের ইকামাত বললেন। যখন সূর্য ঢলে পড়ল তখন তিনি বিলালকে নির্দেশ দিলেন এবং তিনি যুহরের ইকামাত বললেন। কেউ বলত (এ মাত্র) দ্বিপ্রহর হয়েছে অথচ তিনি অবগত ছিলেন।পুনরায় আদেশ করলেন, অতঃপর সূর্য ঊর্ধ্বাকাশে থাকতেই আসরের ইকামাত বললেন, পুনরায় আদেশ করলেন এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার পরেই মাগরিবের ইকামাত বললেন, তারপর লালিমা অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পরে ইশার সালাতের ইকামাত বললেন। পরের দিন ফজরের সালাত এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, সালাত শেষে প্রত্যাবর্তনের সময় কেউ (সন্দেহ করে) বললেন, সূর্যোদয় হয়ে গেছে। পরে যুহরের সালাতকে এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, গতকালের আসরের নিকটবর্তী হয়ে গিয়েছিল। আসরের সালাতকে এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, প্রত্যাবর্তনের সময় (সন্দিহান হয়ে) কেউ বললেন, সূর্য রক্তিম বর্ণ হয়ে গেছে।পুনরায় মাগরিবের সালাতকে এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, লালিমা অদৃশ্য হওয়ার উপক্রম হয়ে গিয়েছিল। তিনি ইশার সালাতকে রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরীতে আদায় করলেন। তারপর বললেন, এ দু’দিনের দু’ধরনের ওয়াক্তের মাঝখানেই সালাতের ওয়াক্ত।
[১] যোহরের সালাত সূর্য ঢলে পড়ামাত্র এত শীঘ্র আদায় করতেন যে, কেউ সূর্য দেখে মনে করতো যে, এখন ঠিক দ্বিপ্রহর। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবগত ছিলেন যে, সূর্য ঢলে গিয়েছে এবং সালাতের প্রথম ওয়াক্ত হয়েছে। [২] অর্থাৎ দ্বিতীয় দিন ফজরের সালাত এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, সূর্যোদয় হয়েছে বলে কারো কারো সন্দেহ হয়েছিল।