যবেহ সম্পর্কিত অধ্যায়

২৪/২. অধ্যায়ঃ

প্রয়োজনবশত যে প্রকারের যবেহ বৈধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ ذَبَائِحِ نَصَارَى الْعَرَبِ فَقَالَ لَا بَأْسَ بِهَا وَتَلَا هَذِهِ الْآيَةَ { وَمَنْ يَتَوَلَّهُمْ مِنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ }.

বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা)

কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল- আরবীয় খ্রিস্টান কর্তৃক যবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া যায়েয কি না? তিনি বলেন : হ্যাঁ, কোন অসুবিধা নাই। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াতটি পাঠ করেন, وَمَنْ يَتَوَلَّهُمْ مِنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ “তাদের সাথে যে ব্যক্তি বন্ধুত্ব করবে সে তাদের মধ্যেই গণ্য হবে”। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

[১] এটা দ্বারা ইবনু আব্বাস (রা)-এর এই কথা বোঝান উদ্দেশ্য ছিল যে, কাফেরদের যবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া যায়েয হলেও তাদেরকে নিজেদের পশু যবেহ করতে দেয়া উচিত নয় কারণ উহা তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার শামিল।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18