সফরে নামায কসর আদায় করা
৯/১. অধ্যায়ঃ
মুসাফির ও মুকীম থাকা অবস্থায় দুই নামায একত্রে আদায় করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩১৮
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فِي سَفَرِهِ إِلَى تَبُوكَ.
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর তাবুক সফরকালে যোহর ও আসরের নামায একত্রে আদায় করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে উল্লেখিত সনদে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া কর্তৃক সনদ মুত্তাসিল নাকি মুরসাল তা নিয়ে ওলামাগণ মতভেদ করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩১৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ عَامِرِ بْنِ وَاثِلَةَ أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُمْ خَرَجُوا مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ تَبُوكَ فَكَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ قَالَ فَأَخَّرَ الصَّلَاةَ يَوْمًا ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ثُمَّ دَخَلَ ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا ثُمَّ قَالَ إِنَّكُمْ سَتَأْتُونَ غَدًا إِنْ شَاءَ اللهُ عَيْنَ تَبُوكَ وَإِنَّكُمْ لَنْ تَأْتُوهَا حَتَّى يَضْحَى النَّهَارُ فَمَنْ جَاءَهَا فَلَا يَمَسَّ مِنْ مَائِهَا شَيْئًا حَتَّى آتِيَ فَجِئْنَاهَا وَقَدْ سَبَقَنَا إِلَيْهَا رَجُلَانِ وَالْعَيْنُ تَبِضُّ بِشَيْءٍ مِنْ مَاءٍ فَسَأَلَهُمَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَلْ مَسِسْتُمَا مِنْ مَائِهَا شَيْئًا فَقَالَا نَعَمْ فَسَبَّهُمَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ لَهُمَا مَا شَاءَ اللهُ أَنْ يَقُولَ ثُمَّ غَرَفُوا بِأَيْدِيهِمْ مِنْ الْعَيْنِ قَلِيلًا قَلِيلًا حَتَّى اجْتَمَعَ فِي شَيْءٍ ثُمَّ غَسَلَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ ثُمَّ أَعَادَهُ فِيهَا فَجَرَتْ الْعَيْنُ بِمَاءٍ كَثِيرٍ فَاسْتَقَى النَّاسُ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوشِكُ يَا مُعَاذُ إِنْ طَالَتْ بِكَ حَيَاةٌ أَنْ تَرَى مَا هَاهُنَا قَدْ مُلِئَ جِنَانًا.
বর্ণনাকারী আবুত তুফায়েল ‘আমির ইবনু ওয়াসিলা (রাঃ
মু’আয ইবনু জবর (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা তাবুকের যুদ্ধের বৎসর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সফরে বের হলেন। (সে সফরে) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। (মু’আয) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন নামাযে দেরি করলেন, অতঃপর তিনি আসলেন এবং যোহর ও আসর একত্রে আদায় করলেন। আবার ভেতরে গেলেন, পুনরায় বের হলেন, তারপর মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, তোমরা আগামীকাল ইনশাআল্লাহ তাবুকের ঝর্ণার কাছে পৌঁছে যাবে। তোমরা দিনের প্রথমাংশেই সেখানে পৌঁছাবে। যে আগে সে জায়গায় পৌঁছে, আমি না আসা পর্যন্ত সে ব্যক্তি যেন উহার সামান্যতম পানিও স্পর্শ না করে। অতঃপর আমরা সেখানে পৌঁছালাম। কিন্তু আমাদের আগেভাগে সেখানে দুজন লোক পৌঁছে গিয়েছিল। আর ঝর্ণা হতে অতি সামান্য পানি নির্গত হচ্ছিল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ব্যক্তিদ্বয়কে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা কি এর পানি হতে কিছু স্পর্শ করেছ? তাঁরা দু’জনে হ্যাঁসূচক উত্তর দিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে অনেক তিরস্কার করলেন এবং আল্লাহর যতটুকু ইচ্ছা ততটুকু তাঁদের সম্পর্কে বললেন। তারপর তাঁরা আঁজলা ভরে অল্প অল্প করে কিছু পানি কোন এক পাত্রে জমা করলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে পানিতে তাঁর উভয় হাত ও মুখমণ্ডল ধুলেন এবং সে পানি ঝর্ণায় নিক্ষেপ করলেন যদ্দরুন ঝর্ণা হতে ফল্গুধারার মত অনেক পানি উঠতে লাগল। লোকজন ঝর্ণা হতে পানি পান করে তৃষ্ণা নিবারণ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন হে মু’আয, সম্ভবত তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করবে এবং তুমি এ ঝর্ণার পানি দ্বারা এই স্থানের অনেক বাগবাগিচায় পূর্ণভাবে পানি সেচ হতে দেখবে। (সহীহ, মুসলিম ৭০৬)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩২০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ، كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا عَجِلَ بِهِ السَّيْرُ يَجْمَعُ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ.
বর্ণনাকারী নাফি’ (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেছেন, যদি (কোন কারণবশত) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দ্রুত ভ্রমণ করতে হত, তবে তিনি মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। (বুখারী, ১০৯১, মুসলিম ৭০৩)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩২১
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ، صَلَّى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا فِي غَيْرِ خَوْفٍ وَلَا سَفَرٍ قَالَ مَالِك أُرَى ذَلِكَ كَانَ فِي مَطَرٍ.
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
ভয় ভীতিজনিত কোন কারণ ছাড়া এবং সফর ব্যতিরেকে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যোহর ও আসর একসাথে এবং মাগরিব ও ইশা এক সাথে আদায় করিয়েছেন। (সহীহ, মুসলিম ৭০৫)ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আমার মতে ইহা বৃষ্টির জন্য ছিল।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩২২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا جَمَعَ الْأُمَرَاء بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ فِي الْمَطَرِ جَمَعَ مَعَهُمْ.
বর্ণনাকারী নাফি’ (রাঃ)
আমীরগণ বর্ষণকালে মাগরিব ও ইশার নামাযকে একত্রে আদায় করলে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁদের সাথে (উক্ত দুই ওয়াক্তের) নামায একত্রে আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩২৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ سَأَلَ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ هَلْ يُجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فِي السَّفَرِ فَقَالَ نَعَمْ لَا بَأْسَ بِذَلِكَ أَلَمْ تَرَ إِلَى صَلَاةِ النَّاسِ بِعَرَفَةَ ৭و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَسِيرَ يَوْمَهُ جَمَعَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَسِيرَ لَيْلَهُ جَمَعَ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ.
বর্ণনাকারী ইবনু শিহাব (র)
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে প্রশ্ন করলেন সফরে যোহর ও আসরকে পর্যায়ক্রমে একত্রে আদায় করা যায় কিনা? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এতে কোন সমস্যা নেই, আরাফাতে লোকজনের নামাযের প্রতি (যা এক সাথে আদায় করা হয়) তুমি কি লক্ষ করনি? (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)আলী ইবনু হুসায়ন (রাঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনে সফরের ইচ্ছা করলে যোহর ও আসর একযোগে আদায় করতেন। আর রাত্রে সফরের ইচ্ছা করলে মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। (মুয়াজবিন জাবাল ও ইবনু ওমর সহ অন্যান্য সাহাবী থেকে সনদ সহ অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে)
৯/২. অধ্যায়ঃ
সফরে নামায ‘কসর’ আদায় করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩২৪
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ رَجُلٍ مِنْ آلِ خَالِدِ بْنِ أَسِيدٍ أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّا نَجِدُ صَلَاةَ الْخَوْفِ وَصَلَاةَ الْحَضَرِ فِي الْقُرْآنِ وَلَا نَجِدُ صَلَاةَ السَّفَرِ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ يَا ابْنَ أَخِي إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ بَعَثَ إِلَيْنَا مُحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا نَعْلَمُ شَيْئًا فَإِنَّمَا نَفْعَلُ كَمَا رَأَيْنَاهُ يَفْعَلُ.
বর্ণনাকারী খালিদ্ ইবনু আসীদ (র)-
বংশের জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন হে আবূ আবদুর রহমান! আমরা সালাতুল খাওফ (ভয়জনিত অবস্থায় নামায) ও সালাতুল হাযর (মুকীম অবস্থায় নামায)-এর উল্লেখ কুরআনে পাই, কিন্তু সালাতুস সফর (সফরের নামাযের কথা তো কুরআনে) পাইনি? আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, হে আমার ভাতিজা! আল্লাহ তা’আলা আমাদের নিকট যখন মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রেরণ করেন, তখন আমরা কিছু জানতাম না, ফলে আমরা তাঁকে যেরূপ করতে দেখেছি সেরূপ করে থাকি। (সহীহ, নাসাঈ ৪৫৭, ইবনু মাজাহ ১০৬৬, আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন সহীহ ওযয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ। আর ইমাম মালিক (রঃ) কর্তক উল্লেখিত সনদে একজন সন্দেহ যুক্ত রাবী রয়েছেন।)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩২৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ فُرِضَتْ الصَّلَاةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَأُقِرَّتْ صَلَاةُ السَّفَرِ وَزِيدَ فِي صَلَاةِ الْحَضَرِ.
বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ)
সফরে এবং হাযরে (মুকীম থাকাকালীন) দুই-দুই রাক’আতই ফরয করা হয়, অতঃপর সফরের নামায পূর্বাবস্থায় বাকি রাখা হয়, আবাসের নামাযে বৃদ্ধি করা হয়। (বুখারী ৩৫০, মুসলিম ৬৮৫)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩২৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ لِسَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ مَا أَشَدَّ مَا رَأَيْتَ أَبَاكَ أَخَّرَ الْمَغْرِبَ فِي السَّفَرِ فَقَالَ سَالِمٌ غَرَبَتْ الشَّمْسُ وَنَحْنُ بِذَاتِ الْجَيْشِ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ بِالْعَقِيقِ.
বর্ণনাকারী ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র)
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন আপনি আপনার পিতাকে সফরে মাগরিবের নামায সর্বাধিক কতটুকু বিলম্বে আদায় করতে দেখেছেন? তখন সালিম (র) বললেন, আমরা যখন ‘যাতুল-জায়শ’ নামক স্থানে, তখন সূর্যাস্ত হয়, তিনি মাগরিবের নামায ‘আকীক’ নামক স্থানে গিয়ে আদায় করেছেন। (দুই স্থানের দূরত্ব ৭ মাইল) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
৯/৩. অধ্যায়ঃ
কত দূরের সফরে নামায কসর আদায় করা ওয়াজিব হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ৩২৭
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا خَرَجَ حَاجًّا أَوْ مُعْتَمِرًا قَصَرَ الصَّلَاةَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ.
বর্ণনাকারী নাফি’ (র)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হজ্জ অথবা উমরার উদ্দেশ্যে বের হলে ‘যুল-হুলায়ফা’ [১] নামক স্থানে নামায কসর করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)[১] যুল-হুলায়ফা মদীনা শরীফ হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি জায়গার নাম।