শিকার সম্পর্কীত অধ্যায়
২৫/১. অধ্যায়ঃ
কাঠ বা পাথর দ্বারা যে প্রাণী হত্যা করা হয়েছে তা খাওয়া জায়েয নয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪০
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّهُ قَالَ رَمَيْتُ طَائِرَيْنِ بِحَجَرٍ وَأَنَا بِالْجُرْفِ فَأَصَبْتُهُمَا فَأَمَّا أَحَدُهُمَا فَمَاتَ فَطَرَحَهُ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ وَأَمَّا الْآخَرُ فَذَهَبَ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ يُذَكِّيهِ بِقَدُومٍ فَمَاتَ قَبْلَ أَنْ يُذَكِّيَهُ فَطَرَحَهُ عَبْدُ اللهِ أَيْضًا.
বর্ণনাকারী নাফি’ (র)
‘জুরূফ’ নামক স্থানে পাথর দ্বারা দুইটি পাখি বধ করেছিলাম, একটি তখনই মারা গিয়েছিল। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) উহা ফেলে দেন এবং অপরটিকে যবেহ করতে দৌঁড়ে গেলেন। উহাও যবেহ করার পূর্বেই মারা যায়। উহাকেও তিনি ফেলে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ كَانَ يَكْرَهُ مَا قَتَلَ الْمِعْرَاضُ وَالْبُنْدُقَةُ.
বর্ণনাকারী মালিক (র)
যে সমস্ত প্রাণী লাঠি বা গোলার আঘাতে হত্যা করা হয়েছে ঐগুলো আহার করা কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (র) মাকরূহ বলে মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ كَانَ يَكْرَهُ أَنْ تُقْتَلَ الْإِنْسِيَّةُ بِمَا يُقْتَلُ بِهِ الصَّيْدُ مِنْ الرَّمْيِ وَأَشْبَاهِهِ ১৮قَالَ مَالِك وَلَا أَرَى بَأْسًا بِمَا أَصَابَ الْمِعْرَاضُ إِذَا خَسَقَ وَبَلَغَ الْمَقَاتِلَ أَنْ يُؤْكَلَ قَالَ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى { يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَيَبْلُوَنَّكُمْ اللهُ بِشَيْءٍ مِنْ الصَّيْدِ تَنَالُهُ أَيْدِيكُمْ وَرِمَاحُكُمْ } قَالَ فَكُلُّ شَيْءٍ نَالَهُ الْإِنْسَانُ بِيَدِهِ أَوْ رُمْحِهِ أَوْ بِشَيْءٍ مِنْ سِلَاحِهِ فَأَنْفَذَهُ وَبَلَغَ مَقَاتِلَهُ فَهُوَ صَيْدٌ كَمَا قَالَ اللهُ تَعَالَى.
বর্ণনাকারী মালিক (র)
তাঁহার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (র) বন্য প্রাণীর মত গৃহপালিত প্রাণীকে তীর ইত্যাদি দ্বারা হত্যা করা মাকরূহ বলে মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন : কোন লাঠির অগ্রভাগে ছুঁচালো কোন জিনিস লাগান থাকলে, আর ইহা শিকারকৃত প্রাণীকে যখমী করে দিলে উহা আহার করাতে আমি কোন দোষ মনে করি না।মালিক (র) বলেন : আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন-يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَيَبْلُوَنَّكُمْ اللهُ بِشَيْءٍ مِنْ الصَّيْدِ تَنَالُهُ أَيْدِيكُمْ وَرِمَاحُكُمْ .অর্থাৎ ‘হে মু’মিনগণ! তোমাদের হাত ও বর্শা, যা শিকার করে সে বিষয়ে আল্লাহ্ অবশ্য তোমাদেরকে পরীক্ষা করবেন। [১] মালিক (র) বলেন: ‘মানুষ তার বর্শা, হাত অথবা অস্ত্র দ্বারা বিদ্ধ করায় যা আহত হয় তাই শিকার, যেইরূপ উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন।
[১] সূরা: আল-মায়িদাহ, ৯৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ أَهْلَ الْعِلْمِ يَقُولُونَ إِذَا أَصَابَ الرَّجُلُ الصَّيْدَ فَأَعَانَهُ عَلَيْهِ غَيْرُهُ مِنْ مَاءٍ أَوْ كَلْبٍ غَيْرِ مُعَلَّمٍ لَمْ يُؤْكَلْ ذَلِكَ الصَّيْدُ إِلَّا أَنْ يَكُونَ سَهْمُ الرَّامِي قَدْ قَتَلَهُ أَوْ بَلَغَ مَقَاتِلَ الصَّيْدِ حَتَّى لَا يَشُكَّ أَحَدٌ فِي أَنَّهُ هُوَ قَتَلَهُ وَأَنَّهُ لَا يَكُونُ لِلصَّيْدِ حَيَاةٌ بَعْدَهُ قَالَ و سَمِعْت مَالِك يَقُولُ لَا بَأْسَ بِأَكْلِ الصَّيْدِ وَإِنْ غَابَ عَنْكَ مَصْرَعُهُ إِذَا وَجَدْتَ بِهِ أَثَرًا مِنْ كَلْبِكَ أَوْ كَانَ بِهِ سَهْمُكَ مَا لَمْ يَبِتْ فَإِذَا بَاتَ فَإِنَّهُ يُكْرَهُ أَكْلُهُ.
বর্ণনাকারী মালিক (র)
বিজ্ঞ আলিমগণকে বলতে শুনেছি- কেউ কোন বন্য প্রাণী তীর ইত্যাদি দ্বারা আহত করবার পর উহা অন্য একভাবে যখ্মী হল, যেমন পানিতে পড়ে গেল বা শিকারের উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণ পায়নি এমন কোন কুকুর উহার উপর আক্রমণ চালাল, তবে ঐ ব্যক্তির আঘাতেই উহা মরিয়াছে বলে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ঐ প্রাণীর গোশ্ত খাওয়া জায়েয হবে না।মালিক (র) বলেন : শিকারের প্রাণী আহত হয়ে ভেগে যাওয়ার পর উহা পাওয়া গেলে, উহাতে যদি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের আঘাতের চিহ্ন বা তীর আটকানো পাওয়া যায় তবে উহা খাওয়া জায়েয হবে। এক রাত্রি অতিবাহিত হওয়ার পর যদি পাওয়া যায় তবে উহা মাকরূহ হবে।
২৫/২. অধ্যায়ঃ
প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রাণী দ্বারা শিকার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪৪
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي الْكَلْبِ الْمُعَلَّمِ كُلْ مَا أَمْسَكَ عَلَيْكَ إِنْ قَتَلَ وَإِنْ لَمْ يَقْتُلْ.
বর্ণনাকারী নাফি’ (র)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন : প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর যদি কোন প্রাণী শিকার করে তবে উহা মেরে ফেলুক বা জীবিত ধরুক সকল অবস্থায়ই উহা খাওয়া জায়েয। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
[১] প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোন হিংস্র প্রাণী যেমন কুকুর, বাজপাখী ইত্যাদি যদি বিসমিল্লাহ বলে শিকারের উদ্দেশ্যে ছাড়া হয় এবং উহা কোন প্রাণী মেরে আনে তবে উহা খাওয়া জায়েয। (ক) হামলা করতে ইশারা করলে হামলা করে। (খ) থেমে যেতে ইশারা করলে থেমে যায় এবং (গ) শিকারকৃত প্রাণী হতে কিছু ভক্ষণ করে নাÑ এই তিনটি শর্ত পাওয়া গেলে উহাকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বলে গণ্য করা হয়।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ نَافِعًا يَقُولُ قَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ وَإِنْ أَكَلَ وَإِنْ لَمْ يَأْكُلْ.
বর্ণনাকারী নাফি’ (র)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন : প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারকৃত প্রাণীর কিছু ভক্ষণ করুক কিংবা না করুক তবুও উহার শিকার খাওয়া জায়েয হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ الْكَلْبِ الْمُعَلَّمِ إِذَا قَتَلَ الصَّيْدَ فَقَالَ سَعْدٌ كُلْ وَإِنْ لَمْ تَبْقَ إِلَّا بَضْعَةٌ وَاحِدَةٌ.
বর্ণনাকারী মালিক (র)
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল : প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর যদি কোন প্রাণী শিকার করে কিছু ভক্ষণ করে ফেলে তবে কি হবে ? তিনি বললেন : একটি টুকরাও যদি রাখে তবুও তা খেয়ে নিও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ بَعْضَ أَهْلِ الْعِلْمِ يَقُولُونَ فِي الْبَازِي وَالْعُقَابِ وَالصَّقْرِ وَمَا أَشْبَهَ ذَلِكَ أَنَّهُ إِذَا كَانَ يَفْقَهُ كَمَا تَفْقَهُ الْكِلَابُ الْمُعَلَّمَةُ فَلَا بَأْسَ بِأَكْلِ مَا قَتَلَتْ مِمَّا صَادَتْ إِذَا ذُكِرَ اسْمُ اللهِ عَلَى إِرْسَالِهَا ১৮قَالَ مَالِك وَأَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ فِي الَّذِي يَتَخَلَّصُ الصَّيْدَ مِنْ مَخَالِبِ الْبَازِي أَوْ مِنْ الْكَلْبِ ثُمَّ يَتَرَبَّصُ بِهِ فَيَمُوتُ أَنَّهُ لَا يَحِلُّ أَكْلُهُ ১৮১قَالَ مَالِك وَكَذَلِكَ كُلُّ مَا قُدِرَ عَلَى ذَبْحِهِ وَهُوَ فِي مَخَالِبِ الْبَازِي أَوْ فِي فِي الْكَلْبِ فَيَتْرُكُهُ صَاحِبُهُ وَهُوَ قَادِرٌ عَلَى ذَبْحِهِ حَتَّى يَقْتُلَهُ الْبَازِي أَوْ الْكَلْبُ فَإِنَّهُ لَا يَحِلُّ أَكْلُهُ.
বর্ণনাকারী মালিক (র)
তিনি কোন কোন আহলে ইল্মকে বলতে শুনেছেন, বাজ, গৃধ্র, ঈগল ইত্যাদি। শিকারী পাখী যদি প্রশিক্ষণ পায় এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের মত বুঝতে পারে তবে বিসমিল্লাহ বলে ছেড়ে থাকলে ঐগুলির শিকার জায়েয বলে গণ্য হবে।মালিক (র) বলেন : আমি এই বিষয়ে উত্তম যা শুনেছি তা হল, বাজপাখির পাঞ্জা বা কুকুরের মুখ হতে যদি শিকার ছুটে যায় এবং পরে মারা যায় তবে উহা খাওয়া হালাল হবে না।মালিক (র) বলেন : অনুরূপ বাজপাখীর পাঞ্জায় বা কুকুরের মুখে যদি শিকারকৃত প্রাণীটি জীবিত পাওয়া যায় এবং শিকারী উহাকে যবেহ করবার পূর্বে উহা মারা যায় তবে উহা খাওয়া হালাল হবে না।মালিক (র) বলেন : তদ্ররূপ শিকারী যদি কোন প্রাণী শিকার করে, উহাকে জীবিত অবস্থায় পেয়েও যবেহ করতে বিলম্ব করে এবং শিকারটি মারা গেলে উহা খাওয়া হালাল হবে না।মালিক (র) বলেন : কোন মুসলমান ব্যক্তি যদি মজূসী (অমুসলিম) দ্বারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারের উদ্দেশ্যে ছাড়ে এবং উহা শিকার করে অথবা শিকারকৃত প্রাণীটিকে মেরে ফেলে তবুও উহা খাওয়া হালাল হবে। এতে কোন দোষ নেই, যদিও মুসলমান উহাকে যবেহ না করে থাকে। এর উদাহরণ হল- কোন মুসলিম ব্যক্তি কোন মজূসীর নিকট হতে ছুরি নিয়ে কোন প্রাণী যবেহ করল, কিংবা তীর-ধনুক নিয়ে কোন প্রাণী শিকার করল। ইহা খাওয়া যেমন হালাল উহাও তেমন হালাল হবে। ইহা আমাদের নিকট সর্বসম্মত।মালিক (র) বলেন : কোন মজূসী (অমুসলিম) যদি কোন মুসলমান কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারের উদ্দেশ্যে ছাড়ে এবং শিকার করে তবে উহা খাওয়া হালাল হবে না। কিন্তু যদি মুসলমান উহাকে জীবিত অবস্থায় পায় এবং নিজে যবেহ করে তবে হালাল হবে। এর উদাহরণ হল- কোন মজূসী ব্যক্তি কোন মুসলমান হতে বর্শা ও তীর নিয়ে কোন প্রাণী শিকার করল এবং প্রাণীটি মারা গেল কিংবা মুসলমানের নিকট হতে ছুরি নিয়ে কোন মজূসী প্রাণীটি যবেহ করল, উভয় অবস্থায় কোনটিই হালাল হবে না।
২৫/৩. অধ্যায়ঃ
জলজ প্রাণী শিকার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪৮
و حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي هُرَيْرَةَ سَأَلَ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ عَمَّا لَفَظَ الْبَحْرُ فَنَهَاهُ عَنْ أَكْلِهِ قَالَ نَافِعٌ ثُمَّ انْقَلَبَ عَبْدُ اللهِ فَدَعَا بِالْمُصْحَفِ فَقَرَأَ { أُحِلَّ لَكُمْ صَيْدُ الْبَحْرِ وَطَعَامُهُ } قَالَ نَافِعٌ فَأَرْسَلَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ إِلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي هُرَيْرَةَ إِنَّهُ لَا بَأْسَ بِأَكْلِهِ.
বর্ণনাকারী আবদুর রহমান ইবনু আবূ হুরায়রা (রা)
‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলে তিনি উহা খেতে নিষেধ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)নাফি’ (র) বলেন : অতঃপর আবদুল্লাহ বাড়ী গিয়ে কুরআন শরীফ এনে নিম্নোক্ত আয়াতটি পড়ে শুনান, أُحِلَّ لَكُمْ صَيْدُ الْبَحْرِ وَطَعَامُهُ “তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও উহা আহার করা হালাল করা হয়েছে।” [১]নাফি’ (র) বলেন, অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) আমাকে আবদুর রহমান ইবনু আবূ হুরায়রা (রা)-এর নিকট এই কথা বলার জন্য পাঠান যে, তাঁর প্রশ্নোল্লিখিত প্রাণী আহার করতে কোন অসুবিধা নেই।
[১] সূরা: আন-নিসা, ৯৬।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক
হাদিস নং ১০৪৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ سَعْدٍ الْجَارِيِّ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ عَنْ الْحِيتَانِ يَقْتُلُ بَعْضُهَا بَعْضًا أَوْ تَمُوتُ صَرَدًا فَقَالَ لَيْسَ بِهَا بَأْسٌ قَالَ سَعْدٌ ثُمَّ سَأَلْتُ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ فَقَالَ مِثْلَ ذَلِكَ.
বর্ণনাকারী উমার ইবনু খাত্তাব (রা)
এর আযাদকৃত গোলাম সা‘দুলজারী বর্ণনা করেন- যে সমস্ত মাছ পরস্পরকে হত্যা করে ফেলে বা শীতে মারা যায় সে ধরনের মাছ সম্পর্কে আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি তখন বললেন : উহা খাওয়াতে কোন দোষ নেই। পরে আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু আ’স (র)-কে এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনিও অনুরূপ জবাব প্রদান করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)