হজ্জ

১৬/৪. অধ্যায়ঃ

মাদীনাবাসীদেরকে যুল হুলায়ফার মাসজিদের নিকট ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দেয়া হয়েছে

সহিহ মুসলিম

وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْمَاعِيلَ - عَنْ مُوسَى بْنِ، عُقْبَةَ عَنْ سَالِمٍ، قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ - رضى الله عنهما - إِذَا قِيلَ لَهُ الإِحْرَامُ مِنَ الْبَيْدَاءِ قَالَ الْبَيْدَاءُ الَّتِي تَكْذِبُونَ فِيهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مِنْ عِنْدِ الشَّجَرَةِ حِينَ قَامَ بِهِ بَعِيرُهُ ‏.

বর্ণনাকারী সালিম (রহঃ)

ইবন উমর (রাঃ)-কে যখন বলা হল, বায়দা নামক স্থানে ইহরাম বাঁধতে হবে- তখন তিনি বললেন, এ বায়দাকে কেন্দ্র করেই তোমরা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দিকে সম্পৃক্ত করে ভুল বর্ণনা করে থাক। অথচ রসূলুল্লাহ (ﷺ) সে গাছের নিকট ইহরাম বেঁধে লাব্বায়কা ধ্বনি উচ্চারণ করতেন- যেখান থেকে তাঁর উট তাঁকে নিয়ে রওনা হতো।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৬৮৩[১৪] বায়দা মাক্কার রাস্তায় অবস্থিত যুল-হুলায়ফায় মাসজিদের নিকটবর্তী একটি টিলাকে বলা হয়। যেখানে বন-জঙ্গলের হালকা চিহ্ন আছে, আর প্রত্যেক বালুময় স্থানকেই বায়দা বলা হয়। তবে বিশেষভাবে এ স্থানকে বায়দা বলা হয়। যা হোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে মাসজিদে দু’রাক’আত সলাত আদায় করেছিলেন সেখান থেকেই তালবিয়াহ্ পাঠ শুরু করেন।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18