কিতাবুস্ সিয়াম (রোজা)
১৪/১৯. অধ্যায়ঃ
‘আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা
সহিহ মুসলিম
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ دَخَلَ الأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ عَلَى ابْنِ مَسْعُودٍ وَهُوَ يَأْكُلُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّ الْيَوْمَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ . فَقَالَ قَدْ كَانَ يُصَامُ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ رَمَضَانُ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ تُرِكَ فَإِنْ كُنْتَ مُفْطِرًا فَاطْعَمْ .
বর্ণনাকারী ‘আলক্বামাহ্ (রহঃ)
আশআস ইবন কায়স (রাঃ) ইবন মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট গেলেন। সেটা আশূরার দিন ছিল। তখন তিনি খানা খাচ্ছিলেন। এ দেখে আশআস (রাঃ) বললেন, হে আবদুর রহমানের পিতা! আজ তো আশূরার দিন। তিনি বললেন, রমাজানের সিয়াম ফরজ হওয়ার পূর্বে এ দিনে সিয়াম পালন করা হতো। কিন্তু রমাজানের সিয়াম ফরজ হলে এ দিনের সিয়াম পালন ছেড়ে দেয়া হয়। এখন তুমি যদি সাওম না রেখে থাক তবে খাও।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৫১৮,ইসলামীক সেন্টারঃ ২৫১৭