যাকাত
১৩/১৬. অধ্যায়ঃ
সকল প্রকার সৎ কাজই সদাক্বাহ্
সহিহ মুসলিম
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ الضُّبَعِيُّ، حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنَا وَاصِلٌ، مَوْلَى أَبِي عُيَيْنَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ عُقَيْلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ الدِّيلِيِّ، عَنْ أَبِي، ذَرٍّ أَنَّ نَاسًا، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالُوا لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَا رَسُولَ اللَّهِ ذَهَبَ أَهْلُ الدُّثُورِ بِالأُجُورِ يُصَلُّونَ كَمَا نُصَلِّي وَيَصُومُونَ كَمَا نَصُومُ وَيَتَصَدَّقُونَ بِفُضُولِ أَمْوَالِهِمْ . قَالَ " أَوَلَيْسَ قَدْ جَعَلَ اللَّهُ لَكُمْ مَا تَصَّدَّقُونَ إِنَّ بِكُلِّ تَسْبِيحَةٍ صَدَقَةً وَكُلِّ تَكْبِيرَةٍ صَدَقَةٌ وَكُلِّ تَحْمِيدَةٍ صَدَقَةٌ وَكُلِّ تَهْلِيلَةٍ صَدَقَةٌ وَأَمْرٌ بِالْمَعْرُوفِ صَدَقَةٌ وَنَهْىٌ عَنْ مُنْكَرٍ صَدَقَةٌ وَفِي بُضْعِ أَحَدِكُمْ صَدَقَةٌ " . قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَأْتِي أَحَدُنَا شَهْوَتَهُ وَيَكُونُ لَهُ فِيهَا أَجْرٌ قَالَ " أَرَأَيْتُمْ لَوْ وَضَعَهَا فِي حَرَامٍ أَكَانَ عَلَيْهِ فِيهَا وِزْرٌ فَكَذَلِكَ إِذَا وَضَعَهَا فِي الْحَلاَلِ كَانَ لَهُ أَجْرٌ " .
বর্ণনাকারী আবূ যার (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর কিছু সংখ্যক সাহাবী তাঁর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! ধন সম্পদের মালিকরা তো সব সওয়াব নিয়ে নিচ্ছে। কেননা আমরা যেভাবে সালাত আদায় করি, তাঁরাও সেভাবে আদায় করে। আমরা যেভাবে সিয়াম পালন করি, তাঁরাও সেভাবে সিয়াম পালন করে। কিন্তু তাঁরা তাঁদের অতিরিক্ত সম্পদ দান করে সওয়াব লাভ করছে, অথচ আমাদের পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না।তিনি (ﷺ) বললেন: আল্লাহ তা’আলা কি তোমাদেরকে এমন কিছু দান করেননি যা সদাকা করে তোমরা সওয়াব পেতে পার? আর তা হলো প্রত্যেক তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) একটি সদাকা, প্রত্যেক তাকবীর (আল্লাহু আকবার) একটি সদাকা, প্রত্যেক তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ) বলা একটি সদাকা, প্রত্যেক ‘‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’’ বলা একটি সদাকা, প্রত্যেক ভাল কাজের আদেশ দেয়া এবং মন্দ কাজ করতে দেখলে নিষেধ করা ও বাধা দেয়া একটি সদাকা। এমনকি তোমাদের শরীরের অংশে সদাকা রয়েছে। অর্থাৎ আপন স্ত্রীর সাথে সহবাস করাও একটি সদাকা।সাহাবীগণ বললেন, ‘‘হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমাদের কেউ তার কাম প্রবৃত্তিকে চরিতার্থ করবে বৈধ পথে আর এতেও কি তার সওয়াব হবে?’’তিনি বললেন, ‘‘তোমরা বল তো, যদি তোমাদের কেউ হারাম পথে নিজের চাহিদা মেটাতে বা যিনা করত তাহলে কি তার গুনাহ হত না? অনুরূপভাবে যখন সে হালাল বা বৈধ পথে কামাচার করবে তাতে তার সওয়াব হবে।’’
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২১৯৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ২২০০