মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর

৬/১. অধ্যায়ঃ

মুসাফিরদের সলাত এবং তার ক্বস্‌র (সংক্ষিপ্ত করা)

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৫৫

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ فُرِضَتِ الصَّلاَةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ وَزِيدَ فِي صَلاَةِ الْحَضَرِ ‏.‏

বর্ণনাকারী নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)

বাড়িতে কিংবা সফরে যে কোন অবস্থায় প্রথমে সালাত দু’ দু’ রাকাত করে ফরজ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সফরের সালাত দু’ রাকাত ঠিক রাখা হলেও বাড়িতে অবস্থানকালীন সালাতের রাকাত সংখ্যা বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪০ ইসলামীক সেন্টারঃ ১৪৫০

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৫৬

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ فَرَضَ اللَّهُ الصَّلاَةَ حِينَ فَرَضَهَا رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ أَتَمَّهَا فِي الْحَضَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ عَلَى الْفَرِيضَةِ الأُولَى ‏.‏

বর্ণনাকারী নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)

সালাত ফরজ করার সময় আল্লাহ তা'আলা দুই রাকাত করে ফরজ করেছিলেন। তবে পরে বাড়িতে অবস্থানকালীন সালাতে বৃদ্ধি করে পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে এবং সফরকালীন সালাত পূর্বের মত দুই রাকাতই রাখা হয়েছে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪১, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৪৫১

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৫৭

وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ الصَّلاَةَ، أَوَّلَ مَا فُرِضَتْ رَكْعَتَيْنِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ وَأُتِمَّتْ صَلاَةُ الْحَضَرِ ‏.‏ قَالَ الزُّهْرِيُّ فَقُلْتُ لِعُرْوَةَ مَا بَالُ عَائِشَةَ تُتِمُّ فِي السَّفَرِ قَالَ إِنَّهَا تَأَوَّلَتْ كَمَا تَأَوَّلَ عُثْمَانُ ‏.‏

বর্ণনাকারী ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)

প্রথমে সালাত ফরজ হয়েছিল দুই রাকাত করে। পরবর্তীতে সফরকালীন সালাত দুই রাকাত ঠিক রাখা হয়েছে কিন্তু বাড়ীতে অবস্থানকালীন সালাত পূর্ণাঙ্গ (অর্থাৎ চার রাকাত) করা হয়েছে। বর্ণনাকারী যুহরী বলেছেন: আমি উরওয়াকে জিজ্ঞেস করলাম- তাহলে কী কারণে আয়িশা (রাঃ) সফরকালীন সালাত পুরো আদায় করতেন? জবাবে উরওয়া বললেন: আয়িশা উসমানের ব্যাখ্যার মতো এ হাদীসটির ব্যাখ্যা করেছেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪২,ই.সে ১৪৫২

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৫৮

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ، عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ‏{‏ لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَقْصُرُوا، مِنَ الصَّلاَةِ إِنْ خِفْتُمْ أَنْ يَفْتِنَكُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا‏}‏ فَقَدْ أَمِنَ النَّاسُ فَقَالَ عَجِبْتُ مِمَّا عَجِبْتَ مِنْهُ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ صَدَقَةٌ تَصَدَّقَ اللَّهُ بِهَا عَلَيْكُمْ فَاقْبَلُوا صَدَقَتَهُ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্‌ (রাঃ)

আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “কাফিররা তোমাদেরকে কষ্ট দিবে এ আশঙ্কা থাকলে সালাত কসর করে আদায় করতে তোমাদের কোন দোষ হবে না”-(সূরা আন নিসা ৪:১০১)। কিন্তু এখন তো লোকেরা নিরাপত্তা লাভ করেছেন। (সুতরাং এখন কসর সালাত আদায় করার প্রয়োজন কী?) এ কথা শুনে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেনঃ তুমি যে কারণে বিস্মিত হয়েছ আমিও ঠিক একই কারণে বিস্মিত হয়েছিলাম (অর্থাৎ আমিও কসর সালাত আদায়ের কোন যৌক্তিকতা খুঁজে পাচ্ছিলাম না)। তাই উক্ত বিষয়ে আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এটি তোমাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সদাকাহ বা দান। সুতরাং তোমরা তাঁর দেয়া সদাকাহ গ্রহণ কর।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪৩,ই.সে ১৪৫৩

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৫৯

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ، عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ إِدْرِيسَ ‏.‏

বর্ণনাকারী ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্ (রহঃ)

আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে জিজ্ঞেস করলাম। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর তিনি আবদুল্লাহ ইবনু ইদরিস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪৪,ই.সে ১৪৫৪

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৬০

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ فَرَضَ اللَّهُ الصَّلاَةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم فِي الْحَضَرِ أَرْبَعًا وَفِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ وَفِي الْخَوْفِ رَكْعَةً ‏.‏

বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)

“আল্লাহ তা’আলা তোমাদের নবীর (ﷺ) জবানীতে বাড়িতে অবস্থানকালীন সালাত চার রাকাত, সফরের সালাত দুই রাকাত এবং ভীতিকর অবস্থায় এক রাকাত ফরজ করেছেন।”

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪৫,ইসলামীক সেন্টারঃ ১৪৫৫

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৬১

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، جَمِيعًا عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مَالِكٍ، - قَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا قَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ الْمُزَنِيُّ، - حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ عَائِذٍ الطَّائِيُّ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ إِنَّ اللَّهَ فَرَضَ الصَّلاَةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمُسَافِرِ رَكْعَتَيْنِ وَعَلَى الْمُقِيمِ أَرْبَعًا وَفِي الْخَوْفِ رَكْعَةً ‏.‏

বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)

মহান আল্লাহ তোমাদের নবী (ﷺ)-এর জবানীতে মুসাফিরের সালাত দুই রাকাত, মুকিম বা বাড়ীতে অবস্থানকারীর সালাত চার রাকাত এবং ভীতিকর অবস্থায় সালাত এক রাকাত ফরজ করেছেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪৬,ইসলামীক সেন্টারঃ ১৪৫৬

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৬২

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ مُوسَى بْنِ سَلَمَةَ الْهُذَلِيِّ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ كَيْفَ أُصَلِّي إِذَا كُنْتُ بِمَكَّةَ إِذَا لَمْ أُصَلِّ مَعَ الإِمَامِ ‏.‏ فَقَالَ رَكْعَتَيْنِ سُنَّةَ أَبِي الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

বর্ণনাকারী মূসা ইবনু সালামাহ্‌ আল হুযালী (রহঃ)

আমি আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি মক্কায় অবস্থানকালে যদি ইমামের পিছনে সালাত আদায় না করি তাহলে কীভাবে সালাত আদায় করব। জবাবে আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস বললেন, দুই রাকাত সালাত আদায় করবে। এটি আবুল কাসিম (ﷺ)-এর সুন্নাত।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪৭,ইসলামীক সেন্টারঃ ১৪৫৭

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৬৩

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ مِنْهَالٍ الضَّرِيرُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبِي جَمِيعًا، عَنْ قَتَادَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏

বর্ণনাকারী ক্বাতাদাহ্ (রাঃ)

একই সানাদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪৮,ইসলামীক সেন্টারঃ ১৪৫৭-ক

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১৪৬৪

وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَحِبْتُ ابْنَ عُمَرَ فِي طَرِيقِ مَكَّةَ - قَالَ - فَصَلَّى لَنَا الظُّهْرَ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ أَقْبَلَ وَأَقْبَلْنَا مَعَهُ حَتَّى جَاءَ رَحْلَهُ وَجَلَسَ وَجَلَسْنَا مَعَهُ فَحَانَتْ مِنْهُ الْتِفَاتَةٌ نَحْوَ حَيْثُ صَلَّى فَرَأَى نَاسًا قِيَامًا فَقَالَ مَا يَصْنَعُ هَؤُلاَءِ قُلْتُ يُسَبِّحُونَ ‏.‏ قَالَ لَوْ كُنْتُ مُسَبِّحًا لأَتْمَمْتُ صَلاَتِي يَا ابْنَ أَخِي إِنِّي صَحِبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي السَّفَرِ فَلَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ وَصَحِبْتُ أَبَا بَكْرٍ فَلَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ وَصَحِبْتُ عُمَرَ فَلَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ ثُمَّ صَحِبْتُ عُثْمَانَ فَلَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ وَقَدْ قَالَ اللَّهُ ‏{‏ لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ‏}‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ)

আমি মক্কার কোনো একটি পথে আসিম ইবন উমর-এর সাথে চলছিলাম। এ সময় তিনি আমাদের সাথে যুহরের সালাত আদায় করলেন এবং মাত্র দুই রাকাত আদায় করলেন। তারপর তিনি তাঁর কাফিলার মধ্যে ফিরে আসলেন। আমরাও তাঁর সাথে ফিরে আসলাম। তিনি সেখানে বসে পড়লে আমরাও তাঁর সাথে বসে পড়লাম। এ সময় যে স্থানে তিনি সালাত আদায় করেছিলেন সে স্থানে তাঁর দৃষ্টি পড়লে কিছু সংখ্যক লোককে সেখানে দাঁড়ানো দেখতে পেয়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এরা ওখানে কী করছে? আমি বললাম, তারা সুন্নাত পড়ছে।তিনি এ কথা শুনে বললেনঃ ভাতিজা, আমাদেরকে যদি সুন্নাত আদায় করতে হতো তাহলে আমি ফরজ সালাতও পূর্ণ আদায় করতাম। আমি সফরে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে থেকে দেখেছি আমৃত্যু তিনি দুই রাকাতের অধিক আদায় করেননি। আমি সফরে আবু বকর (রাঃ)-এর সাথে থেকে দেখেছি আল্লাহ তাকে ওফাত দান না করা পর্যন্ত তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন। আমি সফরে উমরের সাথে দেখেছি তিনি দুই রাকাত সালাতই আদায় করেছেন। মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “আল্লাহর রসূলের জীবনে তোমাদের অনুসরণের উত্তম নমুনা রয়েছে”-(সূরা আল আহযাব ৩৩ : ২১)।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪৯,ই.সে ১৪৫৮

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18