মুনাফিকদের আচরণ এবং তাদের সম্পর্কে বিধান
৫১/০. অধ্যায়ঃ
মুনাফিকদের বিবরণ সম্পর্কিত
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯১৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، أَنَّهُ سَمِعَ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ، يَقُولُ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ أَصَابَ النَّاسَ فِيهِ شِدَّةٌ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَىٍّ لأَصْحَابِهِ لاَ تُنْفِقُوا عَلَى مَنْ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى يَنْفَضُّوا مِنْ حَوْلِهِ . قَالَ زُهَيْرٌ وَهِيَ قِرَاءَةُ مَنْ خَفَضَ حَوْلَهُ . وَقَالَ لَئِنْ رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ لَيُخْرِجَنَّ الأَعَزُّ مِنْهَا الأَذَلَّ - قَالَ - فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُهُ بِذَلِكَ فَأَرْسَلَ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ فَسَأَلَهُ فَاجْتَهَدَ يَمِينَهُ مَا فَعَلَ فَقَالَ كَذَبَ زَيْدٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - فَوَقَعَ فِي نَفْسِي مِمَّا قَالُوهُ شِدَّةٌ حَتَّى أَنْزَلَ اللَّهُ تَصْدِيقِي { إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ} قَالَ ثُمَّ دَعَاهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِيَسْتَغْفِرَ لَهُمْ - قَالَ - فَلَوَّوْا رُءُوسَهُمْ . وَقَوْلُهُ { كَأَنَّهُمْ خُشُبٌ مُسَنَّدَةٌ} وَقَالَ كَانُوا رِجَالاً أَجْمَلَ شَىْءٍ
বর্ণনাকারী যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে কোন এক সফরে আমরা বের হলাম। এ সফরে মানুষজন অনেক কষ্টে পড়ে। সে সময় আবদুল্লাহ ইবন উবাই তার সাথীদেরকে বলল, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথীদের জন্যে তোমরা কিছু ব্যয় করো না, যাতে তারা তাঁর কাছ হতে দূরে চলে যায়। যুহাইর (রহঃ) বলেন, এ হলো ঐ লোকের তিলাওয়াত যে, শব্দের পরিবর্তে পড়ে শক্তিশালীগণ বেশি দুর্বলগণকে বহিষ্কার করে দিবে। আর সে এটাও বলল, আমরা মদিনায় ফিরে আসলে সেখান থেকে নিশ্চয়ই বেশি দুর্বলকে বহিষ্কৃত করবে শক্তিশালী ব্যক্তি। এ কথা শুনে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে তার এ কথাবার্তার ব্যাপারে তাঁকে জানালাম। তখন তিনি আবদুল্লাহ ইবন উবাইকে ডেকে পাঠালেন এবং তাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন। সে জোরদার শপথ করে বলল যে, সে এমন কর্ম করেনি। আর বলল, যায়দ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে মিথ্যা কথা বলেছে। যায়দ (রাঃ) বলেন, তাদের এ কথায় আমি মনে কঠিন কষ্ট পেলাম। তখন আল্লাহ আমার সততার পক্ষে অবতীর্ণ করেন, ... তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে এজন্য আহ্বান করলেন যে, তিনি তাদের জন্যে মার্জনা প্রার্থনা করবেন। তখন তারা তাদের মাথা ঘুরিয়ে নিল। আল্লাহ তাদের ব্যাপারে বলেছেন, তারা দেয়ালে ভর দেয়া কাঠের স্তম্ভ স্বরূপ। যায়দ (রাঃ) বলেন, বাহ্যিকভাবে তারা ছিল খুবই সুন্দর মানুষ।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৬৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২২
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯১৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ أَبِي شَيْبَةَ - قَالَ ابْنُ عَبْدَةَ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرًا، يَقُولُ أَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَبْرَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ فَأَخْرَجَهُ مِنْ قَبْرِهِ فَوَضَعَهُ عَلَى رُكْبَتَيْهِ وَنَفَثَ عَلَيْهِ مِنْ رِيقِهِ وَأَلْبَسَهُ قَمِيصَهُ فَاللَّهُ أَعْلَمُ .
বর্ণনাকারী জাবির (রাঃ)
নবী (ﷺ) আবদুল্লাহ ইবন উবাই এর কবরের কাছে আসলেন এবং তাকে তার কবর থেকে উঠিয়ে নিজ হাঁটুর উপর রাখলেন এবং তিনি তার উপর থুথু দিলেন এবং তাকে নিজ জামা পরিয়ে দিলেন। আল্লাহই এ ব্যাপারে পূর্ণ অবগত।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৬৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২৩
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯১৯
حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ جَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ بَعْدَ مَا أُدْخِلَ حُفْرَتَهُ . فَذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ سُفْيَانَ .
বর্ণনাকারী জাবির ইবুন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবন উবাইকে কবরে ঢুকানোর পর নবী (ﷺ) তার কাছে আসলেন; হাদীসের পরবর্তী অংশটুকু সুফিয়ান হুবহু বর্ণনা করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৬৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২৪
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯২০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ لَمَّا تُوُفِّيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَىٍّ ابْنُ سَلُولَ جَاءَ ابْنُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ أَنْ يُعْطِيَهُ قَمِيصَهُ يُكَفِّنُ فِيهِ أَبَاهُ فَأَعْطَاهُ ثُمَّ سَأَلَهُ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَامَ عُمَرُ فَأَخَذَ بِثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُصَلِّي عَلَيْهِ وَقَدْ نَهَاكَ اللَّهُ أَنْ تُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا خَيَّرَنِي اللَّهُ فَقَالَ اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لاَ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ إِنْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ سَبْعِينَ مَرَّةً وَسَأَزِيدُهُ عَلَى سَبْعِينَ " . قَالَ إِنَّهُ مُنَافِقٌ . فَصَلَّى عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ { وَلاَ تُصَلِّ عَلَى أَحَدٍ مِنْهُمْ مَاتَ أَبَدًا وَلاَ تَقُمْ عَلَى قَبْرِهِ}
বর্ণনাকারী ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবন উবাই-এর মৃত্যুর পর তার সন্তান আবদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে আসলেন এবং তাঁর পিতার কাফনের জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জামাটি চাইলেন। তিনি তাঁকে জামাটি দিয়ে দিলেন। তারপর তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর পিতার সালাতে জানাযা আদায়ের জন্য অনুরোধ করলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার জানাযার সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়ালেন। এমতাবস্থায় উমর (রাঃ) দাঁড়িয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাপড় টেনে ধরে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তার জানাযা কি আপনি আদায় করাবেন? আর আল্লাহ তা'আলা তার সালাতে জানাযা আদায় করাতে আপনাকে বারণ করেছেন।এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এ ব্যাপারে তো আল্লাহ তা'আলা আমাকে এ কথা বলে স্বাধীনতা দিয়েছেন যে, “আপনি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন অথবা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা না করুন- উভয়ই সমান, আপনি সত্তরবারও যদি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন- সবই সমান। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ আমি সত্তরের উপরে বাড়িয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করব। উমর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে তো কপট ছিল। এরপরও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার সালাতে জানাযা আদায় করলেন। তখন আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করলেন- “তাদের মাঝে কারো মৃত্যু হলে আপনি কখনো তার জন্য জানাযার সালাত আদায় করবেন না এবং তার কবরের পাশেও দণ্ডায়মান হবেন না”- (সূরা আত তাওবা ৯:৮৪)।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৭০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২৫
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯২১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ الْقَطَّانُ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ وَزَادَ قَالَ فَتَرَكَ الصَّلاَةَ عَلَيْهِمْ .
বর্ণনাকারী ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে উক্ত সূত্র
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এতে বর্ধিত রয়েছে যে, তারপর হতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুনাফিকদের সালাতে জানাযা আদায় করা পরিপূর্ণরূপে পরিত্যাগ করলেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৬৭১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২৬
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯২২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي، مَعْمَرٍ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ اجْتَمَعَ عِنْدَ الْبَيْتِ ثَلاَثَةُ نَفَرٍ قُرَشِيَّانِ وَثَقَفِيٌّ أَوْ ثَقَفِيَّانِ وَقُرَشِيٌّ قَلِيلٌ فِقْهُ قُلُوبِهِمْ كَثِيرٌ شَحْمُ بُطُونِهِمْ فَقَالَ أَحَدُهُمْ أَتَرَوْنَ اللَّهَ يَسْمَعُ مَا نَقُولُ وَقَالَ الآخَرُ يَسْمَعُ إِنْ جَهَرْنَا وَلاَ يَسْمَعُ إِنْ أَخْفَيْنَا وَقَالَ الآخَرُ إِنْ كَانَ يَسْمَعُ إِذَا جَهَرْنَا فَهُوَ يَسْمَعُ إِذَا أَخْفَيْنَا . فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ { وَمَا كُنْتُمْ تَسْتَتِرُونَ أَنْ يَشْهَدَ عَلَيْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلاَ أَبْصَارُكُمْ وَلاَ جُلُودُكُمْ} الآيَةَ .
বর্ণনাকারী ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)
বাইতুল্লাহর কাছে তিনজন লোক একত্রিত হলো। এদের দুইজন কুরাইশী এবং একজন সাকাফী অথবা দুইজন সাকাফী এবং একজন কুরাইশী ছিল। তাদের অন্তরে সূক্ষ্মজ্ঞান খুব কমই ছিল, তবে পেটে অনেক চর্বি ছিল। তাদের একজন বলল, আমরা যা বলি আল্লাহ সব শুনেন, এ কথা কি তোমরা মনে করো? তখন দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, আমরা উচ্চ আওয়াজে কথা বললে আল্লাহ তা শুনে থাকেন, তবে নিম্নস্বরে কথা বললে আল্লাহ তা শুনেন না। তখন তৃতীয় ব্যক্তি বলল, উচ্চ আওয়াজে কথা বললে যদি তিনি শুনে থাকেন তবে নিম্নস্বরে কথা বললেও তিনি তা শুনতে পাবেন। এ প্রেক্ষিতেই আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করলেন, “তোমরা গোপন করতে পারবে না এজন্য যে, তোমাদের কান, চোখ এবং ত্বক তোমাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবে” (সূরা ফুসসিলাত ৪১:২২)।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৭২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২৭
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯২৩
وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ وَهْبِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، حوَقَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، بِنَحْوِهِ .
বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
নিখুঁতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৭৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২৮
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯২৪
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَدِيٍّ، - وَهُوَ ابْنُ ثَابِتٍ - قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ يَزِيدَ، يُحَدِّثُ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ إِلَى أُحُدٍ فَرَجَعَ نَاسٌ مِمَّنْ كَانَ مَعَهُ فَكَانَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِيهِمْ فِرْقَتَيْنِ قَالَ بَعْضُهُمْ نَقْتُلُهُمْ . وَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ . فَنَزَلَتْ { فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِينَ فِئَتَيْنِ}
বর্ণনাকারী যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)
নবী (ﷺ) উহুদ যুদ্ধের জন্যে বের হলেন। এমন সময় কতক লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সফরসঙ্গী হয়েও ফিরে আসলো। তাদের সম্পর্কে নবী (ﷺ)-এর সাহাবীগণ দুই দলে ভাগ হয়ে গেল। কেউ বলল, আমরা তাদেরকে হত্যা করে ফেলব; আর কেউ বলল, আমরা তাদের হত্যা করব না। তখন অবতীর্ণ হলো, “তোমাদের কি হলো যে, তোমরা মুনাফিকদের ব্যাপারে দুই দলে ভাগ হয়ে গেলে?” (সূরা নিসা ৪ : ৮৮)
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৭৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২৯
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯২৫
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، كِلاَهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .
বর্ণনাকারী শু‘বাহ্ (রাঃ)
এ সূত্রেও তিনি অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৭৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮৩০
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৯২৬
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَهْلٍ التَّمِيمِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي، مَرْيَمَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، الْخُدْرِيِّ أَنَّ رِجَالاً، مِنَ الْمُنَافِقِينَ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانُوا إِذَا خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْغَزْوِ تَخَلَّفُوا عَنْهُ وَفَرِحُوا بِمَقْعَدِهِمْ خِلاَفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم اعْتَذَرُوا إِلَيْهِ وَحَلَفُوا وَأَحَبُّوا أَنْ يُحْمَدُوا بِمَا لَمْ يَفْعَلُوا فَنَزَلَتْ { لاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَفْرَحُونَ بِمَا أَتَوْا وَيُحِبُّونَ أَنْ يُحْمَدُوا بِمَا لَمْ يَفْعَلُوا فَلاَ تَحْسَبَنَّهُمْ بِمَفَازَةٍ مِنَ الْعَذَابِ}
বর্ণনাকারী আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবিতাবস্থায় কতক মুনাফিক লোকের অভ্যাস এই ছিল যে, নবী (ﷺ) যখন যুদ্ধের জন্য বের হতেন তখন তারা পিছনে গা ঢাকা দিয়ে থাকত এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বিরুদ্ধে অবস্থান করাতেই তারা উল্লাস প্রকাশ করত। এরপর যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফিরে আসতেন তখন তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গিয়ে বিভিন্ন অজুহাত পেশ করত, কসম করত এবং প্রত্যাশা করত যেন তারা প্রশংসিত হয় এমন কার্যের উপর যা তারা করেনি। তখন অবতীর্ণ হলঃ “যারা নিজেরা যা করেছে তাতে আনন্দোল্লাস করে এবং যা নিজেরা করেনি এমন কর্মের জন্য প্রশংসিত হতে পছন্দ করে, তারা ‘আযাব থেকে রেহাই পাবে- আপনি কক্ষনো এমন মনে করবেন না। তাদের জন্য আছে কঠিন আযাব”- (সূরা আলে ইমরান ৩:১৮৮)।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৭৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮৩১