ভূমিকা

০/১. অধ্যায়ঃ

নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) রাবীদের থেকে হাদীস বর্ণনা করা এবং মিথ্যাবাদী রাবীদের প্রত্যাখ্যান করা কর্তব্য, আর রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি মিথ্যারোপকারীদের প্রতি হুশিয়ারী

وَاعْلَمْ وَفَّقَكَ اللهُ تَعَالَى أَنَّ الْوَاجِبَ عَلَى كُلِّ أَحَدٍ عَرَفَ التَّمْيِيزَ بَيْنَ صَحِيحِ الرِّوَايَاتِ وَسَقِيمِهَا وَثِقَاتِ النَّاقِلِينَ لَهَا مِنَ الْمُتَّهَمِينَ أَنْ لَا يَرْوِيَ مِنْهَا إِلَّا مَا عَرَفَ صِحَّةَ مَخَارِجِهِ . وَالسِّتَارَةَ فِي نَاقِلِيهِ . وَأَنْ يَتَّقِيَ مِنْهَا مَا كَانَ مِنْهَا عَنْ أَهْلِ التُّهَمِ وَالْمُعَانِدِينَ مِنْ أَهْلِ الْبِدَعِ.জেনে রাখ, যারা সহীহ এবং নির্ভুল হাদীসের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণে সক্ষম এবং যাদের নির্ভরযোগ্য ও সন্দেহজনক রাবীদের যাচাই করার ক্ষমতা আছে তাঁদের কেবল এমন হাদীস বর্ণনা করা কর্তব্য যেগুলোর উৎস সহীহ এবং যেগুলোর রাবীগণের কোন দোষ প্রমাণিত হয়নি। তাঁরা এমন হাদীস বর্ণনা করবেন না, যেগুলো এমন লোক বর্ণনা করেছে যারা অপবাদপ্রাপ্ত বিদ্বেষপ্রবণ, বিদ‘আতী এবং দোষী।وَالدَّلِيلُ عَلَى أَنَّ الَّذِي قُلْنَا مِنْ هَذَا هُوَ اللَّازِمُ دُونَ مَا خَالَفَهُ قَوْلُ اللهِ جَلَّ ذِكْرُهُ (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَإٍ فَتَبَيَّنُوا أَنْ تُصِيبُوا قَوْمًا بِجَهَالَةٍ فَتُصْبِحُوا عَلَى مَا فَعَلْتُمْ نَادِمِينَ) وَقَالَ جَلَّ ثَنَاؤُهُ (مِمَّنْ تَرْضَوْنَ مِنَ الشُّهَدَاءِ) وَقَالَ عَزَّ وَجَلَّ (وَأَشْهِدُوا ذَوَيْ عَدْلٍ مِنْكُمْ) فَدَلَّ بِمَا ذَكَرْنَا مِنْ هَذِهِ الْآيِ أَنَّ خَبَرَ الْفَاسِقِ سَاقِطٌ غَيْرُ مَقْبُولٍ وَأَنَّ شَهَادَةَ غَيْرِ الْعَدْلِ مَرْدُودَةٌ وَالْخَبَرُ وَإِنْ فَارَقَ مَعْنَاهُ مَعْنَى الشَّهَادَةِ فِي بَعْضِ الْوُجُوهِ فَقَدْ يَجْتَمِعَانِ فِي أَعْظَمِ مَعَانِيهِمَا إِذْ كَانَ خَبَرُ الْفَاسِقِ غَيْرَ مَقْبُولٍ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ كَمَا أَنَّ شَهَادَتَهُ مَرْدُودَةٌ عِنْدَ جَمِيعِهِمْ وَدَلَّتِ السُّنَّةُ عَلَى نَفْيِ رِوَايَةِ الْمُنْكَرِ مِنَ الْأَخْبَارِ كَنَحْوِ دَلَالَةِ الْقُرْآنِ عَلَى نَفْيِ خَبَرِ الْفَاسِقِ . وَهُوَ الْأَثَرُ الْمَشْهُورُ عَنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ . " مَنْ حَدَّثَ عَنِّي، بِحَدِيثٍ يُرَى أَنَّهُ كَذِبٌ فَهُوَ أَحَدُ الْكَاذِبِينَ " .আমরা যা বললাম তাঁর এমন শক্ত দলীল পেশ করব যাতে তা মেনে নেয়া অপরিহার্য হয় আর তাঁর বিরোধিতা করার কোন সুযোগ না থাকে। তা হচ্ছে মহান আল্লাহর বাণী : “হে মু’মিনগণ! যদি কোন ফাসিক লোক তোমাদের কাছে কোন সংবাদ নিয়ে আসে তবে তোমরা তার সত্যতা যাচাই করে নাও। এমন যেন না হয় যে, তোমরা অজ্ঞতাবশতঃ কোন মানবগোষ্ঠীর ক্ষতিসাধন করবে বসবে আর পরে নিজেদের কৃতকার্যের জন্য লজ্জিত ও অনুতপ্ত হতে হবে”– (সূরাহ্ আল হুজুরাত ৪৯ : ৬)। অপর এক আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন : “তোমার পছন্দমত সাক্ষী নিযুক্ত কর”– (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২ : ২৮২)। তিনি আরো বলেন : “তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখবে”– (সূরাহ্ আত্ তালাক ৬৫ : ২)। এসব আয়াত থেকে প্রমাণিত হচ্ছে যে, ফাসিক লোকের খবর বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য এবং যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ নয় তার সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যানযোগ্য। কোন কোন বিষয়ে রিওয়ায়াত ও শাহাদাতের মধ্যে (সাক্ষ্যদানের) পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও প্রধানতঃ এ দু’টি এক ও অভিন্ন। হাদীস বিশেষজ্ঞদের কাছে ফাসিক ব্যক্তির খবর যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি তাঁর শাহাদাত বা সাক্ষ্যও সবার নিকট প্রত্যাখ্যানযোগ্য। কুরআনুল মাজীদের যেমন ফাসিকের খবর পরিত্যাজ্য বলে প্রমাণিত, তেমনি হাদীসেও মুনকার রিওয়ায়াত বর্ণনা করা না-জায়িয বলে প্রমাণিত। এ প্রসিদ্ধ হাদীসটি রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : যে ব্যক্তি আমার পক্ষ হতে এমন হাদীস বর্ণনা করে, যা সে জানে যে, তা মিথ্যা, তবে সেও মিথ্যাবাদীদের একজন। অর্থাৎ যদিও সে ঐ হাদীসটি নিজ হতে বানায়নি কিন্তু তাঁর মনে মনে বুঝে যে, ঐ হাদীস সঠিক নয় তবুও যে সেটা বর্ণনা করে সেক্ষেত্রে সেও মিথ্যুকদের অন্তর্ভুক্ত [১] (অথবা সে দুই মিথ্যাবাদীর অন্যতম)[১] যে মিথ্যা রচনা করে সে এক মিথ্যুক এবং যে ঐ মিথ্যা কথা বর্ণনা করে সে আর এক মিথ্যাবাদী।

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ . ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ أَيْضًا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ شُعْبَةَ وَسُفْيَانَ عَنْ حَبِيبٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ أَبِي شَبِيبٍ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَا قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ذَلِكَ .

বর্ণনাকারী সামুরাহ ইবনু জুনদাব (রাযিঃ) ও মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাযিঃ)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।

হাদিস নং
অধ্যায়
ভূমিকা
অধ্যায়
নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) রাবীদের থেকে হাদীস বর্ণনা করা এবং মিথ্যাবাদী রাবীদের প্রত্যাখ্যান করা কর্তব্য, আর রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি মিথ্যারোপকারীদের প্রতি হুশিয়ারী

০/২. অধ্যায়ঃ

রসূলুল্লাহ ﷺ-এর উপর মিথ্যারোপ গুরুতর অপরাধ

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالَا حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيًّا، يِخْطُبُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ " لَا تَكْذِبُوا عَلَيَّ فَإِنَّهُ مَنْ يَكْذِبْ عَلَيَّ يَلِجِ النَّارَ " .

বর্ণনাকারী ‘আলী (রাযিঃ)

রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : তোমরা আমার প্রতি মিথ্যারোপ করো না, কেননা যে ব্যক্তি আমার প্রতি মিথ্যারোপ করবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না এবং ইবনু বাশশারের সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ৩

) وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ إِنَّهُ لَيَمْنَعُنِي أَنْ أُحَدِّثَكُمْ حَدِيثًا كَثِيرًا أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ " مَنْ تَعَمَّدَ عَلَيَّ كَذِبًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ " .

বর্ণনাকারী আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ)

তোমাদের কাছে অধিক সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করা থেকে যা আমাকে বিরত রাখে তা হলো, রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, সে যেন নিজের বাসস্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়।

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ৪

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ الْغُبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ " مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ " .

বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)

রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান নির্ধারণ করে নেয়।

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ৫

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ رَبِيعَةَ، قَالَ أَتَيْتُ الْمَسْجِدَ وَالْمُغِيرَةُ أَمِيرُ الْكُوفَةِ قَالَ فَقَالَ الْمُغِيرَةُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ " إِنَّ كَذِبًا عَلَيَّ لَيْسَ كَكَذِبٍ عَلَى أَحَدٍ فَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ " .

বর্ণনাকারী মুগীরাহ্ (রাযিঃ)

“একদা আমি (কুফার) মাসজিদে এলাম। এ সময় মুগীরাহ্ (রাযিঃ) কুফার আমীর ছিলেন।” মুগীরাহ্ (রাযিঃ) বলেছেন যে, আমি রসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি, আমার প্রতি মিথ্যারোপ করা তোমাদের কারো প্রতি মিথ্যারোপ করার মত নয়। যে ব্যক্তি জেনে শুনে ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান নির্ধারণ করে নেয়।

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ৬

وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرِ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قَيْسٍ الْأَسَدِيُّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ الْأَسَدِيِّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ بِمِثْلِهِ وَلَمْ يَذْكُرْ " إِنَّ كَذِبًا عَلَيَّ لَيْسَ كَكَذِبٍ عَلَى أَحَدٍ " .

বর্ণনাকারী মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাযিঃ)

‘আলী ইবনু হুজর আস্ সা’দী (রহঃ) ..... মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন, তবে “আমার প্রতি মিথ্যারোপ করা তোমাদের কারো প্রতি মিথ্যারোপ করার মত নয়” বাক্যটি তিনি উল্লেখ করেননি।

০/৩. অধ্যায়ঃ

যা শুনে তা বর্ণনা করা নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ৭

وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ " كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ " .

বর্ণনাকারী হাফ্স ইবনু ‘আসিম (রাযিঃ)

রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বলে বেড়ায়। মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ)-এর সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ৮

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ بِمِثْلِ ذَلِكَ .

বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)

অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ৯

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضى الله تعالى عنه بِحَسْبِ الْمَرْءِ مِنَ الْكَذِبِ أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ .

বর্ণনাকারী ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)

‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বলেছেন, কোন ব্যক্তি মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তা বলে বেড়ায়।

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ১০

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ قَالَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ قَالَ لِي مَالِكٌ اعْلَمْ أَنَّهُ لَيْسَ يَسْلَمُ رَجُلٌ حَدَّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ وَلَا يَكُونُ إِمَامًا أَبَدًا وَهُوَ يُحَدِّثُ بِكُلِّ مَا سَمِعَ.

বর্ণনাকারী মালিক (রহঃ)

মালিক (রহঃ) আমাকে বলেছেন, জেনে রাখ, যদি কোন ব্যক্তি যা শোনে তা বলে বেড়ায় তবে সে (মিথ্যা হতে) নিরাপদ নয়। আর যে ব্যক্তি যা শোনে তা বলে বেড়ায় সে কখনো ইমাম হবে না।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18