ঈমান (বিশ্বাস)
১/৩. অধ্যায়ঃ
তাকদীরের প্রতি ঈমান - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنْ أَبِي مُوسى قَالَ قَامَ فِيْنَا رَسُولُ اللهِ ﷺ بِخَمْسِ كَـلِمَاتٍ فَقَالَ : إِنَّ اللهَ لَا يَنَامُ وَلَا يَنْبَغِي لَهٗ أَنْ يَنَامَ يَخْفِضُ الْقِسْطَ وَيَرْفَعُهٗ يُرْفَعُ إِلَيْهِ عَمَلُ اللَّيْلِ قَبْلَ عَمَلِ النَّهَارِ وَعَمَلُ النَّهَارِ قَبْلَ عَمَلِ اللَّيْلِ حِجَابُهُ النُّوْرُ لَوْ كَشَفَهٗ لَاحْرَقَتْ سُبُحَاتُ وَجْهِه مَا انْتَهى إِلَيْهِ بَصَرُهٗ مِنْ خَلْقِه. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
বর্ণনাকারী আবূ মূসা (রাঃ)
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পাঁচটি বিষয়সহ আমাদের মাঝে দাঁড়ালেন এবং তিনি বললেন, (১) আল্লাহ তা‘আলা কক্ষনো ঘুমান না।(২) ঘুমানো তাঁর পক্ষে সাজেও না।(৩) তিনি দাঁড়িপাল্লা উঁচু-নিচু করেন (সৃষ্টির রিয্ক ও ‘আমাল প্রভৃতি নির্ধারিত করে থাকেন)।(৪) রাতের ‘আমাল দিনের ‘আমালের পূর্বে, আর দিনের ‘আমাল রাতের আমলের পূর্বেই তাঁর নিকটে পৌঁছানো হয় এবং(৫) তাঁর (এবং সৃষ্টিজগতের মধ্যে) পর্দা হচ্ছে নূর (জ্যোতি)। যদি তিনি এ পর্দা সরিয়ে দিতেন, তবে তাঁর চেহারার নূর সৃষ্টিজগতের দৃষ্টির শেষ সীমা পর্যন্ত সব কিছুকেই জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দিত। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ১৭৯, ইবনু মাজাহ ১৯৬, আহমাদ ১৯৫৩০, সহীহ ইবনু হিব্বান ২৬৬, সহীহ আল জামি‘ ১৮৬০।