সালাত

৪/৫. অধ্যায়ঃ

আজানের ফজিলত ও মুয়াজ্জিনের উত্তর দান - প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ وَلَه ضُرَاطٌ حَتّى لَا يَسْمَعَ التَّأْذِينَ فَإِذَا قُضِىَ النِّدَاءُ أَقْبَلَ حَتّى إِذَا ثُوِّبَ بِالصَّلَاةِ أَدْبَرَ حَتّى إِذَا قُضِىَ التَّثْوِيْبُ أَقْبَلَ حَتّى يَخْطِرَ بَيْنَ الْمَرْءِ وَنَفْسِهيَقُولُ اذْكُرْ كَذَا اُذْكُرْ كَذَا لِمَا لَمْ يَكُنْ يَذْكُرُ حَتّى يَظِلَّ الرَّجُلُ لَا يَدْرِي كَمْ صَلّى. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : সালাতের জন্য আযান দিতে থাকলে শয়তান পিঠ ফিরিয়ে পালায় ও বায়ু ছাড়তে থাকে, যাতে আযানের শব্দ তার কানে না পৌঁছে। আযান শেষ হয়ে গেলে সে ফিরে আসে। আবার যখন ইক্বামাত শুরু হয় পিঠ ফিরিয়ে পালাতে থাকে। ইক্বামাত শেষ হলে আবার ফিরে আসে। সালাতে মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি করতে তাকে। সে বলে, অমুক বিষয় স্মরণ কর। অমুক বিষয় স্মরণ কর। যেসব বিষয় তার মনে ছিল না সব তখন তার মনে পড়ে যায়। পরিশেষে মানুষ অবচেতন হয় আর বলতে পারে না কত রাক্‌’আত সালাত আদায় করা হয়েছে। [১]

[১] সহীহ : বুখারী ৬০৮, মুসলিম ৩৮৯, আবূ দাঊদ ৫১৬, নাসায়ী ৫৭০, আহমাদ ৯৯৩১, সহীহ আল জামি‘ ৮১৭। اَلتَّثْوِيْبُ (আত্ তাসবীব) হলো ২য় বার ঘোষণা করা। এখানে ইক্বামাহ্ উদ্দেশ্য।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18