সালাত

৪/৪. অধ্যায়ঃ

আজান - প্রথম অনুচ্ছেদ

এ অধ্যায়ে আযান প্রবর্তনের সূচনা ও আযানের পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আযান শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে, ঘোষণা দেয়া। শারী’আতের পরিভাষায় বিশেষ কিছু শব্দের মাধ্যমে সালাতের সময়ের ঘোষণা দেয়াকে আযান বলা হয়।’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) এবং ’আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে আযানের বিবরণ এসেছে। প্রথম হিজরীতে আযানের প্রবর্তন হয়।

মিশকাতুল মাসাবিহ

عَنْ أَنَسٍ قَالَ ذَكَرُوا النَّارَ وَالنَّاقُوسَ فَذَكَرُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارى فَأُمِرَ بِلَالٌ أَنْ يَشْفَعَ الْأَذَانَ وَأَنْ يُوتِرَ الْإِقَامَةَ قَالَ اِسْمَاعِيْلُ فَذَكَرْتُه لَايُّوْبَ فَقَالَ اِلَّا الْاِقَامَةَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)

(সালাতে শারীক হবার জন্য ঘোষণা প্রসঙ্গে) আগুন জ্বালানো ও শিঙ্গায় ফুঁক দেবার প্রস্তাব হল। এটাকে কেউ কেউ ইয়াহূদী ও খৃষ্টানদের প্রথা বলে উল্লেখ করেন। তারপর তিনি (ﷺ) বিলালকে নির্দেশ দিলেন আযান জোড়া শব্দে ও ইক্বামাত বেজোড় শব্দে দেয়ার জন্য। হাদীস বর্ণনাকারী ইসমা’ঈল বলেন, আমি আবূ আইয়ূব আনসারীকে (ইক্বামাত বেজোড় দেয়া সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তবে “ক্বদ ক্বা-মাতিস সলা-হ্‌ ছাড়া” (অর্থাৎ- ক্বদ ক্বা-মাতিস সলা-হ্‌’ জোড় বলতে হবে।) [১]

[১] সহীহ : বুখারী ৬০৩-৬০৫, মুসলিম ৩৭৮, নাসায়ী ৬২৭, ইবনু মাজাহ্ ৭২৯, সহীহ ইবনু খুযাইমাহ্ ৩৬৭, সহীহ ইবনু হিব্বান ১৬৭৮।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18