শিষ্টাচার

২৫/১০. অধ্যায়ঃ

জিহ্বার হেফাজত, গীবত এবং গালমন্দ প্রসঙ্গে - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ

وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ مِنْ كَفَّارَةِ الْغِيبَةِ أَنْ تَسْتَغْفِرَ لِمَنِ اغْتَبْتَهُ تَقُولُ: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَلَهُ «. رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِي» الدَّعَوَاتِ الْكَبِيرِ وَقَالَ: فِي هَذَا الْإِسْنَاد ضعف

বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : গীবাতের কাফ্ফারাহ্ হলো, গীবাতকারী যার গীবাত করেছে, তার জন্য মাগফিরাত প্রার্থনা করবে এবং এভাবে বলবে, হে আল্লাহ! আমাকে এবং তাকে ক্ষমা করো। [ইমাম বায়হাক্বী (রহিমাহুল্লাহ) “দা'ওয়াতুল কাবীর”-এ বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেন, এ হাদীসটির বর্ণনা সূত্র দুর্বল।]

[১] য‘ঈফ : আদ্ দা‘ওয়াতুল কাবীর লিল বায়হাক্বী ৪৭৮। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ, এর সনদে ‘‘আমবাসাহ্’’ নামের বর্ণনাকারীর ব্যাপারে ইমাম বুখারী বলেনঃ যাহিবুল হাদীস। আবূ হাতিম বলেন, সে হাদীস তৈরি করত। ইবনু হিব্বান বলেনঃ সে অনেক মিথ্যা হাদীস তৈরি করেছে, সুতরাং তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা বৈধ নয়। ‘‘আত্ তাকরীব’’ গ্রন্থে বলা হয়েছে মাতরূক। আবূ হাতিম তাকে হাদীস তৈরিকারী বলেছেন। এছাড়াও আশ্‘আস ইবনু শাবীব নামের বর্ণনাকারী মাজহূলুল হাল, য‘ঈফাহ্ ১৫১৯। ‘‘জাওয়ামিউল কালিম’’ সফ্টওয়্যার হাদীসটিকে মাওযূ‘ বলে উল্লেখ করেছে।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18