প্রশাসন ও বিচারকার্য

১৮/৪. অধ্যায়ঃ

বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান - প্রথম অনুচ্ছেদ

’আল্লামা ত্বীবী (রহঃ) বলেনঃ বিচারকের নিকট যে মুকদ্দামাহ্ পেশ করা হয় তাকে বিচার বলে। আযহারী (রহঃ) বলেনঃ কোনো বিষয়ে বিচারকার্য শেষ করাকে কাযাউ বা বিচারকার্য বলা হয়।কুরআন কারীমে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ ’’আমি বনী ইসরাঈলের নিকট ফায়সালা করেছিলাম’’- (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭ : ৪)। হাকিম-কে কাযী বলা হয় এ কারণে যে, তিনি আইন-কানুন মেনে বিচার ফায়সালা করে থাকেন। (মিরকাতুল মাফাতীহ)

মিশকাতুল মাসাবিহ

وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وَإِنَّكُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَيَّ وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ فَأَقْضِي لَهُ عَلَى نَحْوِ مَا أَسْمَعُ مِنْهُ فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ بِشَيْءٍ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ فَلَا يَأْخُذَنَّهُ فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ النَّار»

বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি তো একজন মানুষ মাত্র। তোমরা বিভিন্ন বিবাদ-মীমাংসা নিয়ে আমার নিকট আসো। আর সম্ভবত তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ সাক্ষী-প্রমাণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে অন্যের চেয়ে বেশি সচেতন ও পারদর্শী। অতঃপর আমি তোমাদের বিষায়াদি শুনার সময় যা উপলব্ধি করি তদানুযায়ী বিচার ফায়সালা করি। অতএব আমি কোনো ব্যক্তির জন্য তা মুসলিম ভাইয়ের হক থেকে কোনো কিছু (ভুলক্রমে) ফায়সালা দিয়ে দেই, তাহলে সে যেন তা গ্রহণ না করে। কেননা আমি তার জন্য একখণ্ড আগুনের টুকরাই ফায়সালা করলাম।

[১] সহীহ : বুখারী ৬৯৬৭, মুসলিম ১৭১৩, আবূ দাঊদ ৩৫৮৩, নাসায়ী ৫৪০১, তিরমিযী ১৩৩৯, ইবনু মাজাহ ২৩১৭, আহমাদ ২৬৬১৮, ইরওয়া ৪৫৫।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18