প্রশাসন ও বিচারকার্য
১৮/৩. অধ্যায়ঃ
বিচারকদের (সহকর্মীদের) বেতন ও হাদিয়া গ্রহণ করা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَن المستَوْرِدِ بنِ شدَّادٍ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ كَانَ لَنَا عَامِلًا فَلْيَكْتَسِبْ زَوْجَةً فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ خَادِمٌ فَلْيَكْتَسِبْ خَادِمًا فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَسْكَنٌ فَلْيَكْتَسِبْ مَسْكَنًا» . وَفِي رِوَايَةٍ: «مَنِ اتَّخَذَ غَيْرَ ذَلِكَ فَهُوَ غالٌّ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
বর্ণনাকারী মুস্তাওরিদ ইবনু শাদ্দাদ (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি আমাদের শাসনকার্যে নিযুক্ত হবে, তার যদি স্ত্রী না থাকে তবে সে একজন স্ত্রীর ব্যবস্থা করতে পারে। আর যদি তার খাদিম না থাকে, তাহলে একজন খাদিম রাখতে পারে। আর যদি তার কোনো ঘর না থাকে, তাহলে একটি ঘরেরও ব্যবস্থা করতে পারে। অপর এক বর্ণনাতে আছে, সে যদি তা ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করে, তবে তা খিয়ানাত হবে।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২৯৪৫, মুসতাদরাক লিল হাকিম ১৪৭৩।