প্রশাসন ও বিচারকার্য
১৮/০. অধ্যায়ঃ
প্রশাসন ও বিচারকার্য - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ السُّلْطَانَ ظِلُّ اللَّهِ فِي الْأَرْضِ يَأْوِي إِلَيْهِ كُلُّ مَظْلُومٍ مِنْ عِبَادِهِ فَإِذَا عَدَلَ كَانَ لَهُ الْأَجْرُ وَعَلَى الرَّعِيَّةِ الشُّكْرُ وَإِذَا جَارَ كَانَ عَلَيْهِ الْإِصْرُ وعَلى الرّعية الصَّبْر»
বর্ণনাকারী ইবন উমর (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: নিশ্চয় শাসক হলেন দুনিয়াতে আল্লাহ তা'আলার ছায়ার ন্যায়। নির্যাতিত ও অত্যাচারিত বান্দাগণ শাসকের নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে থাকে। সুতরাং তিনি যদি ন্যায়পরায়ণতার পথ অবলম্বন করেন, তবে তার জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার। আর প্রজাদের কর্তব্য হলো তার শুকরিয়া আদায় করা।আর তিনি যখন যুগ্ম ও অত্যাচার করেন তখন গুনাহের বোঝা তার ওপর বর্তাবে, এমতাবস্থায় প্রজাসাধারণের ধৈর্যধারণ করা উচিত।
[১] মাওযূ‘ : শু‘আবুল ঈমান ৬৯৮৪, য‘ঈফ আল জামি‘ ৩৩৪৮। কারণ এর সনদে সা‘ঈদ বিন সিনান একজন মাতরূক রাবী।