হজ্জ
১১/১৩. অধ্যায়ঃ
বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং হজ্জ ছুটে যাওয়া - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنِ ابْنِ عمَرَ أَنَّه قَالَ: أَلَيْسَ حَسْبُكُمْ سُنَّةُ رَسُولِ اللّٰهِ ﷺ؟ إِنْ حُبِسَ أَحَدُكُمْ عَنِ الْحَجِّ طَافَ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ حَلَّ مِنْ كُلِّ شَىْءٍ حَتّٰى يَحُجَّ عَامًا قَابِلًا فَيَهْدِىَ أَوْ يَصُوْمَ إِنْ لَمْ يَجِدْ هَدْيًا. رَوَاهُ البُخَارِىُّ
বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
তোমাদের জন্য রাসূলুলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত কি যথেষ্ট নয়? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যদি তোমাদের কাউকে (‘আরাফার অবস্থান হতে) হজ্জে আটকে রাখা হয় তবে সে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা মারওয়ায় সা‘ঈ করবে। অতঃপর আগামী বছরে হজ্জ করা পর্যন্ত সব জিনিস হতে হালাল হয়ে যাবে। (সা‘ঈর পর) সে কুরবানীর পশু যাবাহ করবে অথবা যদি কুরবানীর পশু না পায় তবে সিয়াম পালন করবে। (বুখারী)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৮১০, নাসায়ী ২৭৬৯, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১০১২৩।