হজ্জ
১১/১০. অধ্যায়ঃ
কুরবানির দিনের ভাষণ, আইয়ামে তাশরিকে পাথর মারা ও বিদায়ী তাওয়াফ করা - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنْهَا قَالَتْ: أَحْرَمْتُ مِنَ التَّنْعِيمِ بِعُمْرَةٍ فَدَخَلْتُ فَقَضَيْتُ عُمْرَتِىْ وَانْتَظَرَنِىْ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ بِالْأَبْطَحِ حَتّٰى فَرَغْتُ فَأَمَرَ النَّاسَ بِالرَّحِيلِ فَخَرَجَ فَمَرَّ بِالْبَيْتِ فَطَافَ بِه قَبْلَ صَلَاةِ الصُّبْحِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الْمَدِينَةِ. هٰذَا الْحَدِيثُ مَا وَجَدْتُه بِرِوَايَةِ الشَّيْخَيْنِ بَلْ بِرِوَايَةِ أَبِىْ دَاوُدَ مَعَ اخْتِلَافٍ يَسِيْرٍ فِى اٰخِرِه
বর্ণনাকারী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমি তান্‘ঈম হতে ‘উমরার ইহরাম বাঁধলাম এবং মাক্কায় পৌঁছে আমি আমার কাযা ‘উমরা আদায় করলাম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবত্বাহ-এ এসে আমার জন্যে অপেক্ষা করলেন যতক্ষণ পর্যন্ত আমি অবসর না হলাম (‘উমরা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত)। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকদেরকে (মাদীনার দিকে) রওয়ানা হতে আদেশ করলেন এবং নিজেও (মক্কার দিকে) রওয়ানা হলেন। আর বায়তুল্লাহ পৌঁছে ফজরের সালাতের আগেই (বিদায়ী) তাওয়াফ করলেন। অতঃপর মাদীনার দিকে রওয়ানা হলেন। (মিশকাত গ্রন্থকার বলেন, ইমাম বাগাবী এ হাদীসকে প্রথম অনুচ্ছেদে স্থান দিলেও আমি তা বুখারী, মুসলিমে পাইনি; তবে কিছু এর শেষে তারতম্যসহ আবূ দাঊদে রয়েছে।)[১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২০০৫।