সওম (রোজা)
৭/৮. অধ্যায়ঃ
লাইলাতুল কদর - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: كَانَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ أَجْوَدَ النَّاسِ بِالْخَيْرِ وَكَانَ أَجْوَدَ مَا يَكُونُ فِىْ رَمَضَان وَكَانَ جِبْرِيلُ يَلْقَاهُ كُلَّ لَيْلَةٍ فِىْ رَمَضَانَ يَعْرِضُ عَلَيْهِ النَّبِىُّ ﷺ الْقُرْاٰنَ فَإِذَا لَقِيَه جِبْرِيلُ كَانَ أَجْوَدُ بِالْخَيْرِ مِنَ الرِّيْحِ الْمُرْسَلَةِ. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
বর্ণনাকারী ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)
কল্যাণকর কাজের ব্যাপারে (দান-খয়রাত) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে প্রশস্ত হৃদয়ের অধিকারী। আর তাঁর হৃদয়ের এ প্রশস্ততা রমাযান (রমজান) মাসে বেড়ে যেত সবচেয়ে বেশী। রমাযান (রমজান) মাসে প্রতি রাতে জিবরীল আমীন তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে কুরআন শুনাতেন। জিবরীল আমীনের সাক্ষাতের সময় তাঁর দান প্রবাহিত বাতাসের বেগের চেয়েও বেশী বেড়ে যেত। (বুখারী, মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৯০২, মুসলিম ২৩০৮, আহমাদ ৩৪২৫, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ ১৮৮৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩৪৪০, শামায়িল ৩০৩।