ঈমান (বিশ্বাস)
১/০. অধ্যায়ঃ
ঈমান (বিশ্বাস) - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ : خَرَجَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فِي أَضْحى أَوْ فِطْرٍ إِلَى الْمُصَلّى فَمَرَّ عَلَى النِّسَاءِ فَقَالَ : يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ تَصَدَّقْنَ فَإِنِّي أُرِيتُكُنَّ أَكْثَرَ أَهْلِ النَّارِ» فَقُلْنَ وَبِمَ يَا رَسُولَ اللهِ؟ قَالَ تُكْثِرْنَ اللَّعْنَ وَتَكْفُرْنَ الْعَشِيْرَ مَا رَأَيْتُ مِنْ نَاقِصَاتِ عَقْلٍ وَدِينٍ أَذْهَبَ لِلُبِّ الرَّجُلِ الْحَازِمِ مِنْ إِحْدَاكُنَّ. قُلْنَ وَمَا نُقْصَانُ دِينِنَا وَعَقْلِنَا؟ يَا رَسُولَ اللهِ! قَالَ : أَلَيْسَ شَهَادَةُ الْمَرْأَةِ مِثْلَ نِصْفِ شَهَادَةِ الرَّجُلِ؟» قُلْنَ بَلى قَالَ «فَذَلِكِ مِنْ نُقْصَانِ عَقْلِهَا. قَالَ : أَلَيْسَ إِذَا حَاضَتْ لَمْ تُصَلِّ وَلَمْ تَصُمْ؟ قُلْنَ بَلى قَالَ فَذَلِكِ مِنْ نُقْصَانِ دِينِهَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
বর্ণনাকারী আবূ সা‘ঈদ আল্ খুদরী (রাঃ)
ঈদুল ফিত্র কিংবা কুরবানীর ঈদের দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদগাহে গেলেন এবং নারীদের নিকট পৌঁছলেন। অতঃপর তাদের উদ্দেশ্যে বললেন, “হে নারী সমাজ! তোমরা দান-সদাক্বাহ্ কর। কেননা আমাকে অবগত করানো হয়েছে যে, জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী নারী সমাজেরই হবে”। (এ কথা শুনে) তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এর কারণ কি? নবী (ﷺ) বললেন, “তোমরা অধিক মাত্রায় অভিসম্পাত করে থাক এবং নিজ স্বামীদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে থাক। বুদ্ধি ও দীনদারীতে দুর্বল হবার পরও বিচক্ষণ ও সচেতন পুরুষদের বেওকুফ বানিয়ে দেবার জন্য তোমাদের চেয়ে অধিক পারঙ্গম আমি আর কাউকে দেখিনি”। (এ কথা শুনে) নারীরা আরয করল, হে আল্লাহর রাসূল! বুদ্ধি ও দ্বীনের ব্যাপারে আমাদের কী দুর্বলতা রয়েছে? নবী (ﷺ) বললেন, “একজন নারীর সাক্ষ্য কি একজন পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়”? তারা বলল, জি হাঁ! নবী (ﷺ) বললেন, “এটাই হল নারীদের বুদ্ধিমত্তার দুর্বলতা। আর নারীরা মাসিক ঋতু অবস্থায় সালাত দায় করতে ও সিয়াম পালন করতে পারে না। এটা কি সত্য নয়? তারা উত্তরে বলেন, হাঁ তা-ই। নবী (ﷺ) বললেনঃ “এটাই হল তাদের দ্বীনের দুর্বলতা”। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৩০৪, মুসলিম ৮০, সহীহাহ্ ১৯০, সহীহ আল জামি‘ ৭৯৮০, ইরওয়া ৯২৪।