সালাত
৪/৩৫. অধ্যায়ঃ
বিতরের সালাত - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
عَنْ غُضَيْفِ بْنِ الْحَارِثِ قَالَ: قُلْتُ لِعَائِشَةَ: أَرَأَيْتِ رَسُولَ اللّهِ ﷺ كَانَ يَغْتَسِلُ مِنَ الْجَنَابَةِ فِي أَوَّلِ اللَّيْلِ أَمْ فِي اخِرِه؟ قَالَتْ: رُبَّمَا اغْتَسَلَ فِىْ أَوَّلِ اللَّيْلِ وَرُبَّمَا اغْتَسَلَ فِىْ اخِرِه قُلْتُ: اللّهُ أَكْبَرُ الْحَمْدُ لِلّهِ الَّذِىْ جَعَلَ فِي الْأَمْرِ سَعَةً قُلْتُ: كَانَ يُوتِرُ أَوَّلَ اللَّيْلِ أَمْ فِىْ اخِرِه؟ قَالَتْ: رُبَّمَا أَوْتَرَ فِىْ أَوَّلِ اللَّيْلِ وَرُبَّمَا أَوْتَرَ فِي اخِرِه قُلْتُ: اللّهُ أَكْبَرُ الْحَمْدُ لِلّهِ الَّذِىْ جَعَلَ فِي الْأَمْرِ سَعَةً قُلْتُ: كَانَ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةِ أَمْ يَخْفُتُ؟ قَالَتْ: رُبَّمَا جَهَرَ بِه وَرُبَّمَا خَفَتَ قُلْتُ: اللّهُ أَكْبَرُ الْحَمْدُ لِلّهِ الَّذِىْ جَعَلَ فِي الْأَمْرِ سَعَةً. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَى ابْنُ مَاجَهْ الْفَصْلَ الْأَخِيرَ
বর্ণনাকারী গুযায়ফ ইবনু হারিস (রহঃ)
আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -কে প্রশ্ন করলাম। রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফারয গোসল রাতে প্রথম অংশে না শেষ অংশে করতেন? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, কোন কোন সময় রাতের প্রথম প্রহরে কোন কোন সময় রাতের শেষ প্রহরে গোসল করতেন। আমি বললাম, আল্লাহ তা‘আলা অনেক বড়। সব প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্যে। যিনি দ্বীনের ‘আমালের ব্যাপারে সহজ (ব্যবস্থা) করে দিয়েছেন।আবার তিনি জিজ্ঞেস করলেন, রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বিতরের সালাত রাতের প্রথম ভাগে আদায় করে নিতেন না রাতের শেষ ভাগে আদায় করতেন? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিনি কখনো রাতের প্রথম ভাগেই আদায় করতেন, আবার কখনো শেষ রাতে আদায় করতেন। আমি বললাম, আল্লাহ তা‘আলা অনেক বড়। সব প্রশংসা তাঁর যিনি দ্বীনের কাজ সহজ (ব্যবস্থা) করে দিয়েছেন।তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তিনি (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাহাজ্জুদের সালাতে অথবা অন্য কোন সালাতে শব্দ করে ক্বিরাআত পড়তেন, না আস্তে আস্তে? তিনি বললেন, কখনো তো শব্দ করে ক্বিরাআত পড়তেন, আবার কখনো নিচু স্বরে। আমি বললাম, আল্লাহ তা‘আলা অনেক বড় ও সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য, যিনি দ্বীনের কাজ সহজ ও প্রশস্ত করে দিয়েছেন। (আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ! ইবনু মাজাহ এ সূত্রে শুধু শেষ অংশ [যাতে ক্বিরাআতের উল্লেখ হয়েছে] নকল করেছেন) [১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২২৬, ইবনু আবী শায়বাহ্ ৬৭৯, আহমাদ ২৪২০২, সুনান আল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৯৬৩।