সালাত
৪/২৭. অধ্যায়ঃ
ইমামের দায়িত্ব - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ قَالَ: اخِرُ مَا عَهِدَ إِلَىَّ رَسُوْلُ اللّهِ ﷺ: إِذَا أَمَمْتَ قَوْمًا فَأَخِفَّ بِهِمُ الصَّلَاةَ» . رَوَاهُ مُسْلِمٌوَفِىْ رِوَايَةٍ لَه: أَنَّ رَسُولَ اللّهِ ﷺ قَالَ لَه: «أُمَّ قَوْمَكَ» . قَالَ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللّهِ إِنِّىْ أَجِدُ فِي نَفْسِىْ شَيْئًا. قَالَ: ادْنُهْ . فَأَجْلَسَنِىْ بَيْنَ يَدَيْهِ ثُمَّ وَضَعَ كَفَّه فِىْ صَدْرِىْ بَيْنَ ثَدْيَيَّ ثُمَّ قَالَ: تَحَوَّلْ . فَوَضَعَهَا فِىْ ظَهْرِىْ بَيْنَ كَتِفَيَّ ثُمَّ قَالَ: أُمَّ قَوْمَكَ فَمَنْ أَمَّ قَوْمًا فَلْيُخَفِّفْ فَإِنَّ فِيْهِمُ الْكَبِيْرَ وَإِنَّ فِيْهِمْ الْمَرِيْضَ وَإِنَّ فِيْهِمُ الضَّعِيْفَ وَإِنَّ فِيْهِمُ ذَاالحَاجَةِ فَإِذَا صَلّى أَحَدُكُمْ وَحْدَه فَلْيُصَلِّ كَيْفَ شَاءَ
বর্ণনাকারী ‘উসমান ইবনু আবিল ‘আস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে যে শেষ ওয়াসিয়্যাত করেছেন তা ছিল, যখন তোমরা মানুষের (সালাতের) ইমামতি করবে, করে সালাত পড়াবে। (মুসলিম)সহীহ মুসলিমের আর এক সুত্রে পাওয়া যায়, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উসমানকে বলেছেনঃ নিজ জাতির ইমামতি করো। উসমান বললেন, আমি আবেদন করলাম, আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমার মনে খটকা লাগে। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আমার নিকট আসো। আমি তাঁর নিকট আসলে তিনি আমাকে তাঁর সামনে বসালেন। আমার সিনার উপর দু‘ছাতির মাঝে তাঁর নিজের হাত রেখে বললেন। এদিকে পিঠ ফিরাও। আমি তাঁর দিকে আমার পিঠ ফিরালাম।তিনি আমার পিঠে দু‘কাধের উপর হাত রাখলেন এবং বললেনঃ যাও, নিজের জাতির সালাতে ইমামতি করো।(মনে রাখবে) যখন কোন লোক কোন জাতির ইমামতি করবে তার উচিত ছোট করে সালাত আদায় করানো। কারণ সালাতে বৃদ্ধ লোক থাকে। অসুস্থ মানুষ থাকে। দুর্বল ও প্রয়োজনের তাড়া থাকে এমন লোক উপস্থিত হয়। যখন কেউ একা একা সালাত আদায় করবে সে যেভাবে (যত দীর্ঘ) চায় আদায় করবে। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৪৬৮। [বিঃ দ্রঃ এ অধ্যায়টিতে দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ নেই। (وَهذَا الْبَابُ خَالٍ عَنِ اَلْفَصْلِ الثَّانِيْ) ]